এ বারে ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনও দল। বিজেপি আটকে গিয়েছে ২৪০ আসনে। তাই সরকার গড়তে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের ভরসা করতে হচ্ছে এনডিএ-র শরিকদের উপর। প্রাপ্ত আসন সংখ্যার নিরিখে এনডিএ-র শরিকদের মধ্যে বিজেপির পরই রয়েছে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি)। তাদের ঝুলিতে রয়েছে ১৬টি আসন। তৃতীয় স্থানে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। তারা পেয়েছে ১২টি আসন।
আরও পড়ুনঃ আইন মন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ, মনোজ টিগ্গাকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিচ্ছে NDA সরকার


এনডিএ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ২০১৪ এবং ২০১৯-এর মতো এ বার বিজেপি একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কারণ, ৫৪৫ আসনের (দু’টি মনোনীত আসন-সহ) লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭৩টি আসন। তাই সরকার গড়তে বিজেপির আরও ৩৩ টি আসন প্রয়োজন। সরকার গড়ার ক্ষেত্রে যদি টিডিপি, জেডিইউ-র মতো দল বেঁকে বসে, তবে চাপে পড়বেন নরেন্দ্র মোদী। তারা যাতে জোট ছেড়ে বেরিয়ে না যায়, তাই দ্রুত মন্ত্রীত্ব বন্টনের কাজ সারতে চাইছে বিজেপি।

চন্দ্রবাবু নাইডু চাইছেন না স্বরাষ্ট্রদফতর থাক অমিত শাহর হাতে। পাশাপশি তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছেন নাইডু। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চাইছেন তিনি। অন্যদিকে নীতীশ কুমার চেয়েছেন চার পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ। পাশাপাশি বিহারের জন্যে স্পেশাল প্যাকেজ। সব মিলিয়ে মহা বিড়ম্বনায় পড়েছে বিজেপি। কারণ তারা চাইছে না অর্থ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ কোন জোট সঙ্গীকে দিতে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে অমিত শাহ বাদ? নীতীশ-চন্দ্রবাবুর বায়না মেটাতে হিমসিম খাচ্ছেন মোদী।



সূত্রের খবর, চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতীশরা ইতিমধ্যেই নিজেদের শর্ত জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্বকে। তাঁরা কে কোন মন্ত্রক চান, বা রাজ্যের জন্য কে কী সুবিধা চাইছেন— তার তালিকা জমা করেছেন মোদীর কাছে। মৌখিক আলোচনাও হয়েছে। আজকের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ ব্যাপারে।







