ইসবার ৪০০ পার হয়নি, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির ৷ ৫৪৩ টি আসনের মধ্যে ২৪২ টি আসনে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি ৷ ফলে জোটকে ভরসা করেই এগোতে হচ্ছে বিজেপিকে ৷ তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডু ও জেডি(ইউ)-এর নিতীশ কুমার জানিয়েছেন, তাঁরা এনডিএ জোটের সঙ্গেই আছেন ৷ কিন্ত তাঁদের দাবিদাওয়া মেটাতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে বিজেপিকে। মোট ২৯২টি আসন পেয়েছে এনডিএ জোট। কে কোন মন্ত্রক চাইছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তাই বিজেপি থেকে কজন মন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে।
আরও পড়ুনঃ ইস্তফা দিচ্ছেন যোগী আদিত্যনাথ? উত্তরপ্রদেশে সংখ্যালঘু বিজেপি সরকার, ক্ষমতায় সমাজবাদী পার্টি!


অন্যদিকে, বাংলায় আসন কমেছে এবার। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছিল বাংলা থেকে। সেই সময় প্রথমে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল বাংলার দুজনকে- দেবশ্রী চৌধুরী ও বাবুল সুপ্রিয়। পরে তাঁদের দুজনকেই মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১-এ বাংলা থেকে প্রতিমন্ত্রী করা হয় চারজনকে- নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, জন বার্লা ও সুভাষ সরকার। এবার আসন সংখ্যা কমেছে। এইবার রাজ্য থেকে ১২ টি আসন পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু তবুও ‘ভাল’ মিনিস্ট্রি পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন একজন। তিনি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যদিকে একজন প্রতিমন্ত্রী পাচ্ছে রাজ্য। তিনি মনোজ টিগ্গা।

দিল্লী সূত্রে খবর, বিজেপি যে মন্ত্রীপদ গুলি নিজের হাতে রাখছে সেই মন্ত্রী পদ গুলোর মধ্যে কোন রাজ্যে কাকে মন্ত্রী করা হবে তা নিয়ে বিস্তর বৈঠক হওয়ার পর বাংলার কপালে জুটছে দুজন মন্ত্রী। নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকার হেরে গিয়েছেন এবার। জন বার্লা টিকিট পাননি। সেক্ষেত্রে শোনা যাচ্ছে পূর্নমন্ত্রী করা হতে পারে তমলুক থেকে জয়ী, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে মনোজ টিগ্গাকে কোনও একটি দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হবে।


আইন মন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ, মনোজ টিগ্গাকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিচ্ছে NDA সরকার

এদিকে, ভারত সরকারের মন্ত্রিসভায় যাদের বলা হয় বিগ ফোর, সেই অর্থ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ কোন জোট সঙ্গীকে দিতে নারাজ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও এর মধ্যে কমপক্ষে দুটি নিজেদের দখলে রাখতে চায় দুই জোট সঙ্গী। নীতীশ আজ দলের জন্য চার পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ এবং চন্দ্রবাবু তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।







