আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ফের চালুর উদ্যোগ। দুই দেশের রেল কর্তাদের আলোচনা এগিয়েছে, তবে নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত বিষয় ও ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত বাকি।
ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার কথা ফের জানালেন শেখ হাসিনা। ক্ষমতায় ফেরার জন্য নয়, মানুষের পাশে দাঁড়াতেই দেশে ফিরতে চান বলে দাবি। আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা নিয়েও সরব তিনি।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পক্ষে সরব হয়ে জেলবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবি জানালেন তসলিমা নাসরিন। ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ জানালেও সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ঢাকার বার্তা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অগ্রগতি না হলে এখনই দিল্লি সফরের তাড়া নেই।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে বারবার ভারতের কাছে আবেদন জানাচ্ছে ঢাকা। এই টানাপড়েনের মধ্যেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।
শেখ হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ফের তৎপরতা। নয়াদিল্লির সরকারি সূত্রের দাবি, প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় আদালত।
আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে নয়াদিল্লি সফরে যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর হলে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রথম বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক ইস্যু উঠতে পারে।
শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরাতে ভারতের কাছে আবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রত্যর্পণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা।
শেখ হাসিনার ৫ অগস্টের বক্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক। সেপ্টেম্বরের BRICS Summit-এ তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে জল্পনা, কী বললেন দীনেশ ত্রিবেদী?
হাসিনার দিল্লির সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে ফের মুখোমুখি ভারত ও বাংলাদেশ। দিল্লি বলছে, অনুষ্ঠানে সরকারের ভূমিকা নেই। ঢাকা পাল্টা ‘হাসিনা কার্ড’ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে।
শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন। ঢাকার ক্ষোভের পর দিল্লি জানাল, হাসিনার রাজনৈতিক মন্তব্যে সায় নেই ভারতের। একই সঙ্গে তারেক রহমানের বর্তমান সরকারকে বৈধ বলে স্পষ্ট বার্তা নয়াদিল্লির।
শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা। ঢাকার দাবি, ভারতের পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। কী বললেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী?
দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল ভাষণ ঘিরে বিতর্কের মাঝেই অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। বিদেশ মন্ত্রক জানাল, অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই এবং সেখানে ব্যক্ত মতামতকে সমর্থনও করা হয় না।
নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। সম্ভাব্য এই সফর ঘিরে নতুন করে চর্চায় ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক।