নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুম্বাই টু ভাইজ্যাগ, ৭টি ট্যাঙ্কার নিয়ে যাত্রা শুরু হলো ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’-এর। মাত্রা কমে গিয়েও ফের ফিরে এসেছে নতুন ভাবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশে একদিনে মাত্র ছাড়াচ্ছে গত দিনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা এক্টু কমলেও মৃত্যু হার কমেনি। লাগামছাড়া সংক্রমণে দেশের একাধিক রাজ্যে সংকুলান দেখা যাচ্ছে বেড থেকে অক্সিজেনের। রাজ্যের প্রশাসন নিজেদের মত করে চেষ্টা করছে পরিস্থিতি মোকাবিলার। এই পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণে রবিবার রেল মন্ত্রক নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছল।


রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বলা হয়েছিল, ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’-এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে লিকুইড অক্সিজেন এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার। থাকবে গ্রিন করিডোরের ব্যবস্থাও। দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতে গ্রিন করিডোরে সরবরাহ করা হবে অক্সিজেন। তাছাড়া যেখানে দেশের একাধিক স্থানে বেডের সমস্যা দেখা যাচ্ছে, সেখানে ট্রেনের মধ্যেই আইসোলেশন বেডের ব্যবস্থাও কর হয়েছে।
এ বিষয়েও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের কঠিন পরিস্থিতির কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টুইটে তিনি জানিয়েছিলেন শুকুর বস্তির কাছে ৫০ টি আইসোলেশন কামরায় ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রায় ৮০০ বেডের। দিল্লিতে আনন্দ বিহারের কাছে প্রায় ২৫টি কোচে থাকবে এই ব্যবস্থা। সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সব মিলিয়ে এভাবে প্রায় ৩ লাখ বেড বানানো সম্ভব।
মুম্বাই টু ভাইজ্যাগ, সেদিনের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর আজ যাত্রা শুরু করলো অক্সিজেন এক্সপ্রেস। সাতটি ফাঁকা ট্যাঙ্কার নিয়ে মুম্বইয়ের কালামবোলি গুড ইয়ার্ড থেকে বিশাখাপত্তনম স্টিল প্ল্যান্টের দিকে রওনা দিয়েছে ট্রেনটি। এই বিষয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজে জানিয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী রাজ্যে রাজ্যে পৌঁছে যাবে অক্সিজেন। যে রাজ্যের পরস্থিতি খারাপ গত বারের চেয়েও বাএবারের নিরিখে অবস্থা চরমে, সেসব যায়গায় আগে যাবে এই অক্সিজেন এক্সপ্রেস।


তিনি আরও জানান, “অক্সিজেন ভর্তি এই ট্রেন গ্রিন করিডরের মধ্যে দিয়ে ছুটবে। অর্থাত্ কোনও স্টেশনে না থেমেই গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছবে এই ট্রেন। এরপর বিশাখাপত্তনম, জামসেদপুর, রাউরকেল্লা থেকে ট্যাঙ্কার ভর্তি করে বিভিন্ন রাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও তরল অক্সিজেন। পৌঁছবে মহারাষ্ট্রেও।”







