মহাকুম্ভ, যা ভারতীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, সারা বিশ্ব থেকে পুণ্যার্থীরা এখানে এসে স্নান করেন। যোগী আদিত্যনাথের দাবি, গঙ্গার জল কখনোই বিষাক্ত ছিল না এবং তা পুণ্যার্থীদের জন্য স্নান এবং পান করার উপযোগী। তিনি এই জলকে 'পবিত্র' এবং 'বিশুদ্ধ' দাবি করেছেন।
মহাকুম্ভে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর, উত্তরপ্রদেশ সরকার মৃতদের পরিবারকে সাহায্য প্রদান এবং দুর্ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের শোকপ্রকাশ এবং দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার দুর্ঘটনার ক্ষতি পূরণের চেষ্টা করছে।
কুম্ভ মেলায় দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকার ভিড় ও ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের নতুন নির্দেশিকা কুম্ভ মেলায় আসা পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সহায়ক হবে।
পদপিষ্ট হয়ে মৃতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি জানিয়েছেন. প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ পাশাপাশি,আগরা এবং আলিগড় থেকে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ৷
উত্তরপ্রদেশে কেন এই বিপর্যয় হল তা নিয়ে ময়নাতদন্ত জারি রয়েছে বিজেপির অন্দরে। তারই মধ্যে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে বৈঠক করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবৎ। দু'বার আলাদা আলাদা বৈঠক করেছেন তাঁরা। সেখানে সকলের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
বিজেপির আশা এবং সমস্ত 'হেভিওয়েট' সংবাদমাধ্যমের প্রত্যাশা ছিল উত্তর প্রদেশে বিজেপি কমপক্ষে ৭০-৭২ টি আসন পাবে লোকসভায়। কিন্তু বাস্তবে ফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। যোগীরাজ্যে ৮০ টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৩৩ টি আসন।