রাজ্যে ১১ই ডিসেম্বর রবিবার রাজ্যজুড়ে হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। রাজ্যব্যাপী এই পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে পরিচালনায় কোমর বেঁধে নেমেছে নবান্ন। পাশাপাশি, বিতর্ক এড়াতে শিক্ষা দফতরের তরফেও নানা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই পরীক্ষা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
বছর শেষে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর। আজ নবান্নর তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে বড়দিনের জন্য ২৪, ২৫ ও ২৬ তারিখ সরকারি কর্মীরা ছুটি পাবেন। কারণ ২৫শে ডিসেম্বর রবিবার পড়ায় ক্রিসমাসের ছুটি যাতে লোকসান না হয়।
এনসিসিকে অনুদান বন্ধ করে দিচ্ছে রাজ্য। আর এই ইস্যুকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে বিরোধীদের মধ্যে তরজা। মুখ খুললেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।
বিভিন্ন সময় স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা এনসিসি (NCC) তে যোগদান করে। এতদিন এই এনসিসি চলছিল রাজ্যের অনুদান নিয়ে। কিন্তু এবার সেই অনুদান বন্ধ হয়ে গেল বলে জানা গিয়েছে। এনসিসির কমান্ডারের পক্ষ থেকে অবশ্য ইতিমধ্যেই একাধিকবার মুখ্য সচিব এবং অর্থ সচিবকে চিঠি লেখা হয়েছে।
বিভিন্ন সচেতনতা মূলক প্রচার এবং সামাজিক কল্যাণ মূলক কাজে যদি এই অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলিকে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলছে, যেহেতু মাথার উপর আদালতের নির্দেশ রয়েছে, তাই রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া অর্থের অবিলম্বে হিসাব নেওয়া জরুরি ৷ সূত্রের খবর, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই হিসাব নবান্নের তরফ থেকে আদালতে জমা করা হবে।
চলতি বছরের ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব' নিয়ে সেই কমিটি পর পর পাঁচবার বৈঠক করে। কিন্তু একবারও ডাক পায়নি রাজ্য সরকার। কিন্তু কেন? রেসিডেন্স কমিশনের সূত্র বলছে, রাজ্যের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।