নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলার ‘ট্যাবলো’ প্রত্যাখ্যান করেছে কেন্দ্রীয় সরকার! প্রত্যেক বছর ২৬শে জানুয়ারি রাজধানীর রাজপথ গমগম করে সেনার কুচকাওয়াজে। অস্ত্র প্রদর্শন থেকে যুদ্ধ সামগ্রী। সাথে দেশের সংস্কৃতি। প্রজাতন্ত্র দিবসের শোভাযাত্রায় রাজ্য গুলির অংশ নেওয়া বহু পুরোনো রীতি। কিন্তু এবারও বাংলাকে প্রত্যাখ্যান করেছে কেন্দ্র। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। ‘বাংলাকে পৃথক রাষ্ট্র মনে করে তৃণমূল’, ট্যাবলো স্থান না পাওয়ায় তৃণমূল কে এভাবেই খোঁচা দিয়েছে বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ সদ্যোজাতের হৃদযন্ত্রে সমস্যা, অনির্বাণ মাইতির ফেসবুক পোস্ট, সমাধান করলেন অভিষেক


২০২০ সালেও ‘কন্যাশ্রী’র মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিষয়ও বাদ গিয়েছিল কেন্দ্রের তালিকা থেকে। এবার বাদ গেলেন নেতাজি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে এই বছরের থিম ঠিক করেছে কেন্দ্র। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের থিমের নাম, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব।’ এদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এবারের ট্যাবলোর বিষয় ছিল–নেতাজি। কারণ, এবার সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী। তা নিয়ে তৃণমূল কে একহাত নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, “রাজ্যে তৃণমূল সরকার মনে করে বাংলা একটা পৃথক রাষ্ট্র। কেন্দ্রে তো বিজেপি সরকার নেই। কেন্দ্রে রয়েছে ভারত সরকার। এখন, তৃণমূল সরকার যদি মনে করে নিজের ইচ্ছেমতো যা খুশি তাই করবে, তাহলে তো কিছু করার নেই। তাহলে তো বিরোধ হবেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো আগেরবার বলেছিলেন কন্যাশ্রী নিয়ে ট্যাবলো বানিয়ে পাঠাবেন! যা চাইবেন তা হবে না কি!”
‘বাংলাকে পৃথক রাষ্ট্র মনে করে তৃণমূল’, প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলো বিতর্কে খোঁচা বিজেপির।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং আইএনএ বিষয়ক ট্যাবলো পাঠানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই প্রস্তাব নাকচ হয়েছে কেন্দ্রে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তৈরি কমিটি এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। চলতি বছরের ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ নিয়ে সেই কমিটি পর পর পাঁচবার বৈঠক করে। কিন্তু একবারও ডাক পায়নি রাজ্য সরকার। কিন্তু কেন? রেসিডেন্স কমিশনের সূত্র বলছে, রাজ্যের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।









