উচ্চ প্রাথমিকের সেই নিয়োগ আটকে আছে ২০১৬ সাল থেকে। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে ১৪ হাজার ৩৩৯ শূন্যপদের নিয়োগ আটকে যায়। ২০২০ সালে প্যানেল বাতিল হয় আদালতের নির্দেশে। কিছুদিন আগেই এসএসসি-র চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন, আদালত অনুমতি দিলেই কাউন্সেলিং শুরু হবে।
উচ্চ প্রাথমিকে কর্মিশক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্য ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভিন্ন মতামত প্রসঙ্গে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বসলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এদিন বিচারপতি বলেন, রাজ্য এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান এক যদি না হয়, তবে কমিশন ভেঙে দেওয়া হোক।
২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল অবধি অপেক্ষা। এখনও মেলেনি নিয়োগ। তাই নিয়োগের দাবিতে বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরে বিক্ষোভে চাকরি প্রার্থীরা। যার জেরে বেশ কিছু সময় ধরে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কালীঘাট চত্বর। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় চাকরি প্রার্থীদের। বেশ কয়েকজনকে টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছে।
উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। হাই কোর্টের নির্দেশ, কোনও চাকরি প্রার্থীকে সুপারিশপত্র দিতে পারবে না স্কুল সার্ভিস কমিশন। দুই দিনের জন্য নিয়োগ স্থগিতাদেশ রাখার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। চাকরি প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছে এমনই মন্তব্য করতে দেখা গেছে বিচারপতিকে।
আপার প্রাইমারি (upper primary) চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলায়। সোমবার বেলার দিকে ওয়াই চ্যানেলে বসার আগে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় বসে পড়লে, তাঁদের টেনে হিঁচড়ে পুলিশ তুলে দেয় বলে অভিযোগ।
দীর্ঘ আট বছর ধরে অপেক্ষা। শুক্রবার ইন্টারভিউতে বসার সুযোগ পেলেন ১৫৮৫ জন চাকরি প্রার্থী। দীর্ঘ সময়ের পর ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য, ইন্টারভিউয়ের পরে নিয়োগ হবে তো?