গত ২৮ অগস্ট হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়। সেখানেই মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয় চার সপ্তাহের মধ্যে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে। নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে রাজ্য সরকার।
মঙ্গলবারই উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রাখার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট এবং বুধবারের মধ্যে মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।
উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারেরও বেশি শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ, উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দিল, হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না শীর্ষ আদালত।
কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গত ২৮ অগস্ট এসএসসিকে জানিয়েছিল, এক মাসের মধ্যে ১৪ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য নতুন করে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে।
চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, গত অগস্ট মাসে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরও আপার প্রাইমারির ১৪ হাজার ৫২ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করেনি রাজ্য। কবে তাঁদের নিয়োগ করা হবে এই দাবিতেই আজ দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই মিছিলেই ঘাড়ধাক্কা খেতে হয় তাঁদের।
রাজ্যজুড়ে একের পর এক নিয়োগে দুর্নীতি। আর এর মাঝেই স্কুল সার্ভিস কমিশন অর্থাৎ এসএসসির নিজেদের প্রমাণ করাটা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে 'দুর্নীতিতে অভিযুক্ত' এসএসসি পদে পদে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করেছে।