একুশের মঞ্চেই ২০২৪ লোকসভা ভোট ও সদ্য সমাপ্ত হওয়া উপনির্বাচনেও দলের অভূতপূর্ব সাফল্যের বিজয় উৎসব হিসেবে পালন করা হবে 'বিজয় দিবস' অনুষ্ঠানও। একথা খোদ জানিয়েছেন দলের অন্যতম নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই একুশে জোড়াফুলের মেগা সভার ৪৮ ঘণ্টা আগেই শহরে দলের সেনাপতির পদার্পনে রীতিমতো আপ্লুত তৃণমূলের শীর্ষ সারির নেতা-নেত্রী শুরু করে কর্মী সমর্থকরা।
সূত্রের খবর, প্রতিবারই বাজেট অধিবেশনের আশেপাশে একবার দিল্লি যান মমতা। পাশাপাশি জানা গেছে, বাজেট অধিবেশনে যোগদানের জন্য ওই সময় দিল্লিতে থাকতে পারেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেক্ষেত্রে মমতা এবং অভিষেক সাংসদদের উদ্দেশ্যে কোনো বার্তা দিতে পারেও বলে খবর।
যা নির্বাচনের আগে তুমুল জল্পনার সৃষ্টি করেছিল বিজেপির অন্দরে। তিনি জানিয়েছিলেন সঠিক সময়ে এই বিধায়কদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে। এবার তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বিজেপির সাংসদ যোগদানের কথা উসকে দেওয়ায় ফের চাপের মুখে বিরোধী শিবির ।
কল্যাণ ও জয়প্রকাশের এই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্যের পর তৃণোমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিতর্ক ধামাচাপা দিতে বলেন, "শোভন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই কাছের মানুষ। এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবার তিনি নেবেন। এর মধ্যে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি না। যা হবার সময়ের সাথে সাথেই দেখা যাবে।"
সেই দিন রাজ্যের প্রত্যেক থানার সামনে মুখ্যমন্ত্রী ও মেয়রের বিরোধিতায় বিক্ষোভ দেখাবেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দুপুর ১২টায় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় বক্তব্য রাখবেন তখন বিজেপির তরফে তৃণমূল নেতানেত্রীদের কুশপুতুল পোড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।
লোকসভা নির্বাচনের পর প্রথম পরীক্ষা পাশ করে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই জয় পেল শাসক দল। অন্যদিকে, কার্যত ধরাশায়ী রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। জেতা তিন আসন হাতছাড়া করল তাঁরা।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ থেকে বিজেপির হয়ে জিতেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। এইবার জিতলেন তৃণমূলের হয়ে। লোকসভায় তিনি রানাঘাটের প্রার্থী হলেও বিজেপির জগন্নাথ সরকারের কাছে হেরে যান।