বেশকিছু কিছুদিন অজ্ঞাতবাস কাটিয়ে অবশেষে কলকাতায় ফিরলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকালেই তাকে দেখা যায় কলকাতা বিমান বন্দরে। আগামী ২১ শে জুলাই রয়েছে ‘শহিদ দিবস’ কর্মসূচি তার আগেই কলকাতায় পা রাখলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বেশ কিছুদিন ধরেই চিকিৎসার জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে ছুটি নেওয়ার কথা লিখে পোস্ট করেছিলেন তিনি। তবে এই ছুটি নেওয়াকে আবার দলের সাংগঠনিক কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ বলে মনে করেছেন দলেরই একাংশ। তবে রবিবার ২১ জুলাই রয়েছে তৃণমূলের বার্ষিক সভা । যা প্রত্যেক তৃণমূল কর্মীর কাছে এই দিনটি একটি আবেগপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়ে একটা কৌতূহল ছিল। কিন্তু শুক্রবার তাঁর শহরে ফিরে আসায় সব কৌতূহল মুছে আশা করা হচ্ছে রবিবারের সভায় সেনাপতির ঝোড়ো বক্তৃতায় গর্জে উঠবে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। স্বাভাবিকভাবেই এবারের একুশের সভা অন্যান্যবারের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন তৃণমূলের শীর্ষ সারির একাংশ। পাশাপাশি অন্যবারের তুলনায় এবারে অধিক পরিমাণে ভিড় হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।
২১ জুলাই অভিষেকের প্রত্যাবর্তন, সেনাপতিকে দেখতে মুখিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা

শুক্রবার থেকেই জেলা থেকে কলকাতায় আসতে শুরু করবে কর্মী সমর্থকরা। তার কারণ একুশের মঞ্চেই ২০২৪ লোকসভা ভোট ও সদ্য সমাপ্ত হওয়া উপনির্বাচনেও দলের অভূতপূর্ব সাফল্যের বিজয় উৎসব হিসেবে পালন করা হবে ‘বিজয় দিবস’ অনুষ্ঠানও। একথা খোদ জানিয়েছেন দলের অন্যতম নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই একুশে জোড়াফুলের মেগা সভার ৪৮ ঘণ্টা আগেই শহরে দলের সেনাপতির পদার্পনে রীতিমতো আপ্লুত তৃণমূলের শীর্ষ সারির নেতা-নেত্রী শুরু করে কর্মী সমর্থকরা।



