HomeTagsTmc

tmc

২৬ এর লক্ষ্যে ২৪, আজ ২১ শে জুলাইয়ের সমাবেশে কি বার্তা দেবেন মমতা?

অন‌্যদিকে দেড় বছর পর বিধানসভার ভোট, দুই লক্ষ‌্যকে সামনে রেখেই আজ গর্জে উঠবে এই মহা সমাবেশ। তবে ২১ শে জুলাইয়ের সমাবেশে জনাগমের পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাসও। যদিও ২১শে জুলাই বৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক বলে মনে করেন সকলে।

লক্ষ্য একুশের সমাবেশে যোগদান, উত্তরবঙ্গ থেকে সাইকেলে ধর্মতলায় ৫ তৃণমূল সমর্থক!

গত ১৭ জুলাই বিকালে রায়গঞ্জ রওনা দেন তাঁরা। দীর্ঘ সড়ক পথ পেরিয়ে ২০ জুলাই বিকেলে তাঁরা পৌঁছলেন কলকাতায়। এই পাঁচ যুবকের নাম,মৃদুল বর্মণ, শাহাবাজ আলী, বিনু বর্মন, মুন্না রাজবংশী এবং সৌরভ বর্মন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই আজ বলেন, একুশে জুলাই তৃণমূলের কাছে একটা আবেগ। সেই আবেগেরই যেন প্রমাণ দিলেন এই পাঁচ যুবক।

মমতাকে দেখামাত্র কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা, একুশের প্রাক্কালে কী বার্তা তৃণমূলনেত্রীর?

সভাস্থলে ছিলেন প্রায় ৩৫ মিনিট। মাটির ভাঁড়ে চায়ে চুমুক দিলেন। এদিন বিকেলে মমতার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সায়নী ঘোষ, দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুব্রত বক্সী, অরূপ বিশ্বাস-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা।

একুশে জুলাই আমাদের আবেগ, শহিদ সমাবেশের প্রাকমুহূর্তে বার্তা মমতার

রাত পোহালেই একুশে জুলাই, অর্থাৎ তৃণমূলের শহিদ দিবস। প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও ধর্মতলায় বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে শাসক দলের। আর অন্য বছরের তুলনায় এবার যেন কিছুটা বেশিই সাজো সাজো রব। কারণ, সদ্যই লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।

রাত পোহালেই তৃণমূলের শহিদ দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ধর্মতলা

অন্য বছরের তুলনায় এবার যেন কিছুটা বেশিই সাজো সাজো রব। কারণ, সদ্যই লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে সেদিন ধর্মতলায় আসবেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। যে কারণে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হবে ধর্মতলা।

২১ শে জুলাইয়ে মহা চমক! শহিদ দিবসের মঞ্চে ইন্ডিয়া জোট, থাকবেন অখিলেশ যাদব

গতবারের তুলনায় বাড়তি ভিড় হবে বলে মনে করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ। বিশেষ করে উত্তর বঙ্গের একাধিক জেলা থেকে থেকে বহু কর্মী সমর্থক এই সমাবেশে যোগ দেবেন বলে জানা যাচ্ছে। ট্রেনে বসে করে ইতিমধ্যেই শহরে আসতে শুরু করেছে কর্মী সমর্থকরা।

ADR এর দেওয়া প্রতিবেদনে আয়ের নিরিখে শীর্ষে তেলেঙ্গানার BRS, দ্বিতীয় TMC

অপরদিকে ওই সময় ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের দল বিজু জনতা দল আয় করেছিল ১৮১.০৫৩ কোটি টাকা। খরচ করে ৯.৯৮৭ কোটি টাকা। এখনো মজুত অর্থের পরিমাণ রয়েছে ১৭১.০৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ আয়ের দিক থেকে দেখতে গেলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিজেডি।

Trending Now