রাত পোহালেই তৃণমূলের শহিদ দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ধর্মতলা

অন্য বছরের তুলনায় এবার যেন কিছুটা বেশিই সাজো সাজো রব। কারণ, সদ্যই লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাত পোহালেই একুশে জুলাই, অর্থাৎ তৃণমূলের শহিদ দিবস। প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও ধর্মতলায় বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে শাসক দলের। আর অন্য বছরের তুলনায় এবার যেন কিছুটা বেশিই সাজো সাজো রব। কারণ, সদ্যই লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে সেদিন ধর্মতলায় আসবেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। যে কারণে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হবে ধর্মতলা।

জানা গিয়েছে, তৃণমূলের একুশের সমাবেশের মূল মঞ্চকে তিনটি বৃত্তে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম বৃত্তে মূল মঞ্চের দায়িত্বে একজন ডিসি, তিনজন এসি, পাঁচ ইন্সপেক্টর, ৫ সাব ইন্সপেক্টর, ৪০ পুলিশকর্মী, ১০০ সাদা পোশাকের পুলিশ, ৫০ জন র‌্যাফ থাকবেন। দ্বিতীয় বৃত্তে মঞ্চের পিছন দিক ও সংলগ্ন এলাকায় সাতটি ভাগে নজরদারি চলবে। ভিডিওগ্রাফি করা হবে ১৬টি বহুতলের ছাদ ও বিভিন্ন তলা থেকে।

রাত পোহালেই তৃণমূলের শহিদ দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ধর্মতলা

এছাড়া মঞ্চ সংলগ্ন একাধিক জায়গায় থাকবে কম‌্যান্ডো ও বিশেষ বাহিনীর নজরদারি। নিরাপত্তার দায়িত্বে একজন ডিসি, তিনজন এসি, ৬ ইন্সপেক্টর, ১৪ এসআই, ২০ এএসআই, ৭০ পুলিশকর্মী, ১০ জন সাদা পোশাকের পুলিশ। তৃতীয় বৃত্তে মঞ্চের বাইরে চৌরঙ্গি স্কোয়ারে পাঁচটি ভাগে নজরদারি চলবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে একজন ডিসি, পাঁচজন এসি, সাতজন ইন্সপেক্টর, ২০ এসআই, ২২ এএসআই, ১২০ জন পুলিশকর্মী থাকবেন।

রাত পোহালেই তৃণমূলের শহিদ দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ধর্মতলা

রাত পোহালেই তৃণমূলের শহিদ দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ধর্মতলা

ধর্মতলা চত্বর-সহ মধ‌্য কলকাতায় নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩৫০০ জন পুলিশকে। সঙ্গে থাকবেন ১৫০০ জন ট্রাফিক পুলিশ। আশপাশের অঞ্চলকে ১৫টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। সেখানেও চলবে নজরদারি। দায়িত্ব থাকবেন একজন করে ডিসি। নিরাপত্তায় মোট ৩০ জন ডিসি, ৮০ জন এসি, ১৮০ জন ইন্সপেক্টর, ৮০০ এসআই ও এএসআই। ২০টি জায়গায় বসবে পুলিশ পিকেট। ১৫টি জায়গায় অ্যাম্বুল্যান্স রাখা থাকবে। ভোররাত থেকেই ৪১টি জায়গায় পার্কিংয়ের বন্দোবস্ত থাকবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে ১২টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, পর্যাপ্ত সংখ্যক পিসিআর ভ্যান, কুইক রেসপন্স টিম ও অ্যান্টি সাবোটাজ টিম। এছাড়া ঘাটগুলিতে ডিএমজির নৌকা ও ডুবুরির বন্দোবস্তও করা হচ্ছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর