রাত পোহালেই একুশে জুলাই, অর্থাৎ তৃণমূলের শহিদ দিবস। প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও ধর্মতলায় বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে শাসক দলের। আর অন্য বছরের তুলনায় এবার যেন কিছুটা বেশিই সাজো সাজো রব। কারণ, সদ্যই লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে সেদিন ধর্মতলায় আসবেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। এবার একুশের প্রাকমুহূর্তে সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা লিখেছেন, “আগামীকাল আবার একুশে! একুশে জুলাই বাংলার ইতিহাসে রক্তঝরা এক দিন। অত্যাচারী সিপিআইএম-এর নির্দেশে সেদিন চলে গিয়েছিল তরতাজা ১৩টি প্রাণ। আমি হারিয়েছিলাম আমার ১৩ জন সহযোদ্ধাকে। তাই একুশে জুলাই আমার কাছে, আমাদের কাছে একটা আবেগ। একুশে জুলাই আজ বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অন্তরঙ্গ অংশ।”

সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, “প্রতি বছর এই ঐতিহাসিক দিনে শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায় আমরা বীর সেই শহিদদের তর্পণ করি। শুধু তাঁরাই নন, দেশ ও দশের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের সবাইকেই এই দিনে আমরা স্মরণ করি। সেই সঙ্গেই আমরা এ দিনটিকে ‘মা-মাটি-মানুষ দিবস’ হিসেবে পালন করি; নির্বাচনে আমাদের যে গণতান্ত্রিক জয় তাকে মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করি। সেজন্যও এদিন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।”
একুশে জুলাই আমাদের আবেগ, শহিদ সমাবেশের প্রাকমুহূর্তে বার্তা মমতার

একেবারে শেষে মমতা লিখেছেন, “ধর্মতলায় এবারের শহিদ স্মরণ তথা মা-মাটি-মানুষ দিবস অনুষ্ঠানে আমি বাংলার সকল মানুষকে আমন্ত্রণ জানাই। আপনাদের সবার সাগ্রহ উপস্থিতিতে এবারের সমাবেশও অন্যান্যবারের মতো সাফল্যমণ্ডিত হবে, এই বিশ্বাস আমি রাখি। ২১শে জুলাই অশ্রু সজল রক্তে লেখা নাম/ শহিদ স্মরণে রইলো মোদের হাজার হাজার সেলাম।”



