নির্বাচন কমিশনের কাছে রাজনৈতিক দলগুলির ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের আয় ব্যায়ের হিসাবে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে তেলেঙ্গানার ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)। এরপরই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও খরচে নিরিখে শীর্ষে তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রতিবছরই নির্বাচন কমিশনের কাছে আয় ব্যায়ের হিসাব জমা করতে হয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে। একই রকম ভাবে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৫৭ টি আঞ্চলিক দলের মধ্যে ৩৯ টি দল তাদের হিসাব পেশ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে। যদিও বাকি ১৮ টি দল এখনো হিসাব জমা করেনি। এই ৩৯ টি দলের ওপর ভিত্তি করেই শুক্রবার বেসরকারি নির্বাচনী নজরদারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) এর তরফে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয়ের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে তেলেঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ভারত রাষ্ট্র সমিতি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিআরএসের কোষাগারে জমা অর্থের পরিমাণ ছিল ৭৩৭.৬৭৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫৭.৪৭৬ কোটি টাকা। মজুত অর্থের পরিমাণ রয়েছে এখনো ৬৮০.২০১ কোটি টাকা।

অন্যদিকে আয়ের নিরিখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। কিন্তু সেই অর্থে খরচের নিরিখে রয়েছে প্রথম স্থানে। ওই অর্থবর্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাগারে জমা পড়া অর্থের পরিমাণ ৩৩৩.৪৫৭ কোটি টাকা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ওই রাজনৈতিক দল খরচ করেছে ১৮১.১৮৪ কোটি টাকা। বাকি মজুত অর্থের পরিমাণ রয়েছে ১৫২.২৭৩ কোটি টাকা।
ADR এর দেওয়া প্রতিবেদনে আয়ের নিরিখে শীর্ষে তেলেঙ্গানার BRS, দ্বিতীয় TMC

এছাড়াও তামিলনাড়ুর ডিএমকে’র কোষাগাড়ে ওই অর্থবর্ষে জমা পড়েছে ২১৪.৩৫৩ কোটি টাকা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ওই দল খরচ করেছে ৫২.৬২৪ কোটি টাকা। মজুত অর্থের পরিমাণ রয়েছে ১৬১.৭২৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ আয়ের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডিএমকে। অপরদিকে ওই সময় ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের দল বিজু জনতা দল আয় করেছিল ১৮১.০৫৩ কোটি টাকা। খরচ করে ৯.৯৮৭ কোটি টাকা। এখনো মজুত অর্থের পরিমাণ রয়েছে ১৭১.০৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ আয়ের দিক থেকে দেখতে গেলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিজেডি।



