বাগদা উপনির্বাচনের মধুপর্ণা ঠাকুরের লড়াই ছিল বেশ কঠিন। প্রথমত, বাগদা মতুয়া অধ্যুষিত এলাকা। দ্বিতীয়ত, দু'বারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের মতো হেভিওয়েট নেতার প্রভাব। যদিও মধুপর্ণা জানিয়েছেন, জয় তাঁদের সময়ের অপেক্ষা ছিল। সঙ্গে এও বলেছেন, শুধুমাত্র মতুয়ারা নন, বাগদাবাসী সকলে মমতা বন্দোপাধ্যায়কে দু'হাত ঢেলে ভোট দিয়েছেন, উন্নয়নের পক্ষে।
গত ১০ জুলাই রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট ছিল মানিকতলা, রানাঘাট, দক্ষিণ রায়গঞ্জ এবং বাগদায়। আজ ১৩ তারিখ এই চার কেন্দ্রের ফল প্রকাশ। এখনও পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, রায়গঞ্জ জিতে যাওয়ার পাশাপাশি বাকি তিন কেন্দ্রেও এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল।
প্রসঙ্গত হুগলি একটি জেলে যাবজ্জীবন কারাবন্দি রয়েছেন এই মাওবাদী নেতা অর্ণব দাম। এবং এই জেলবন্দি থাকা অবস্থায় আইআইটি খড়গপুরে প্রাক্তন ছাত্র ফের পড়াশোনা শুরু করেন। সম্প্রতি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে চেয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনও করেন তিনি। এই পরীক্ষায় প্রথমও হয় অর্ণব।
দোষী সাব্যস্ত হলেন ৭ জন। তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি বাবর আলি কোটাল এবং দুই পঞ্চায়েত সদস্য লাল মোহাম্মদ ভূঁইঞা ও রাজন মণ্ডল, শুকুর ভূঁইঞা, ইয়ামিন ভূঁইঞা, নবীয়াল মণ্ডল এবং হোসেন মণ্ডলের যাবজ্জীবন সাজা হল।
মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি পাণ্ডেকে। অন্যদিকে, বিজেপির তরফে প্রার্থী হয়েছেন কল্যাণ চৌবে। ভোটগ্রহণের মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন। ফাঁস করলেন একটি ফোনালাপ! আর এই ঘটনায় রীতিমত হইচই সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
গত ৫ই জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হয় ইডি। সেই থেকে শিরোনামে ওঠে সন্দেশখালি। এরপর ধীরে ধীরে সামনে আসে জমি ভেড়ি দখল এবং মহিলা নির্যাতনের মত বিভিন্ন ঘটনা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন শেখ শাহজাহান সহ তাঁর অনুগামীরা। এদিকে তৃণমূলের তরফে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেখা গিয়েছে, বিজেপির মন্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল টাকার বিনিময়ে মহিলা নির্যাতনের মত স্পর্শকাতর বিষয়কে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন।
ওল্ড ক্যালকাটা সার্বজনীন দুর্গোৎসব পুজো কমিটির সদস্য ওই মৃত ব্যক্তির স্ত্রী। তাই এদিন ওই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়ও তার দলবল নিয়ে হাজির হয়। অভিযোগ, কমিটি গঠনের সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় ওই কাউন্সিলরের দলবল ও কয়েক জন দাঁড়িয়ে থাকে দরজার বাইরে।