পাল্টা বৈশাখী বলেছেন, "অপ্রাসঙ্গিক কথার কী উত্তর দেব! ওনার কথার উত্তর দিতে আমাকে যেখানে নামতে হবে, আমি নামতে রাজি নই। উনি আমার সম্পর্কে যাই বলুন, আমি এটুকু বুঝতে পারছি শোভন রাজনীতিতে এলে উনি ওনার প্রাসঙ্গিকতা হারাতে পারেন ভেবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে এসব বলছেন।"
রত্না বলেছেন, "তৃণমূল এখন অনেক বড় পরিবার। উনি (পড়ুন শোভন) যদি আসতে চান আসতে পারেন। উনি একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সৎ মা বানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোনার গোপাল বানিয়েছেন। এখন যদি মনে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৎ মা থেকে মা হয়ে গিয়েছেন, অভিষেক ম্যাচিওর রাজনীতিবিদ হয়ে গিয়েছেন, তাহলে ফিরে আসবেন!"
দীর্ঘ বেশ কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ একদা বঙ্গ রাজনীতির পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। গত কয়েক বছর ধরে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার বাড়িতেই বন্দি মুকুল। সেভাবে আর প্রকাশ্যে দেখা যায় না তাঁকে। চেহারাও ভেঙে পড়েছে মুকুলের। এর মধ্যেই মুকুল রায়ের চোট পাওয়ার খবর প্রকাশ্যে
বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রয়াত তৃণমূল সাংসদ কপিলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছোট মেয়ে মধুপর্ণা ঠাকুরকে। অপর দিকে বিজেপি প্রার্থী করেছে বিনয় কুমার বিশ্বাসকে। যিনি মতুয়া হলেও ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। যার ফায়দা তুলতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।
ওপর দিকে ওই ব্যবসায়ীর সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে শ্রীতমার পালটা বলেন, "উনি নিজেকে দলের কর্মী বলে দাবি করেন, তাই নির্বাচনে ওনার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি ওনার বেআইনি নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলাম বলেই চক্রান্ত করে এটা করেছেন।
বিধায়কের মন্তব্য, এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক সমাজ না মেনে নেওয়ার কারণেই ডাকা হয় সালিশি সভা। কিন্তু সেই সভায় কিছু ভুল ত্রুটি হয় পাশাপাশি জেসিবির ওই রূপ আচরণে তাকে শাসন করা হবে বলেও জানান তিনি। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন সমাজ মাধ্যমে একটু বেশিই দেখানো হয়েছে বলে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মানিকতলায় প্রায় ২০ হাজার ভোট ব্যবধানে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। সেখানে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের নিরিখে এই বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৩ হাজারের বেশি কিছু ভোটে। অর্থাৎ, ভোট কমেছে প্রায় ৭ হাজার।