২৬ হাজার জনের মধ্যে কারা 'অযোগ্য' আর কারাই বা 'যোগ্য' তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জানায় 'অযোগ্য'-দের তালিকা তাঁরা জমা দেবে। রবিবার সেই তালিকা জমা হল শীর্ষ আদালতে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়ে বলা হয়েছে, ২৬ হাজার জনের মধ্যে ১২১২ জনের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
লোকসভা ভোটের আগে নির্বাচনী বন্ড দুর্নীতি নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। এই দুর্নীতির তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একটি মামলা। মামলা করে দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
এদিকে, তদন্তে সিবিআই জানতে পেরেছে, পটনার বাসিন্দা নীতীশ কুমারই দুর্নীতির আসল কিংপিন। তাঁর সহকারী হিসাবে অমিত আনন্দ ও সিকন্দর কাজ করত। তারাই ৩০-৩২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রি করে।
রাজভবনে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট এই তদন্তে স্থগিতাদেশ জারি করলে শেষমেশ বন্ধ হয়ে যায় তদন্ত। এরপরেই হাইকোর্টের ওই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ওই নির্যাতিতা।
নিট প্রশ্ন ফাঁস মামলায় রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। পুনরায় নিট পরীক্ষা হবে না, স্পষ্ট জানাল সুপ্রিম কোর্ট। সিবিআই-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে এই রায়দান। আবেদনকারীদের আর্জি খারিজ করল শীর্ষ আদালত। হাজারীবাগ ও পাটনাতেই নিট এর প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
শীর্ষ আদালতে নির্যাতিতার বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট যেন তার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে কয়েকটি নির্দেশ জারি করে। যেমন তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে অনুমতি, নির্যাতিতার নিরাপত্তা, নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখা। নির্যাতিতার এই যুক্তি শোনার পরই সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নোটিস পাঠায়। পাশাপাশি অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই মামলায় আদালতকে সহযোগিতা করার জন্য।
স্থায়ী শিক্ষকদের ন্যুনতম বেসিক পে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদেরও দিতে হবে, আগেই এই নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। যে রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এবার শীর্ষ আদালতেও বহাল থাকল হাই কোর্টের নির্দেশই। তবে কেবল, যে শিক্ষকরা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়িয়ে থাকেন তাদের জন্য এই নিয়ম কার্যকরী হবে।