আজ শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি প্রথমেই জিজ্ঞেস করেন আরজি কর হাসপাতাল থেকে সন্দীপ ঘোষের বাড়ি কত দূরে সেখানে সিবিআই-এর আইনজীবী উত্তর দেন ১৫ থেকে ২০ মিনিট।
আরজি কর ইস্যুতেই শীর্ষ আদালতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল কেন্দ্র সরকার। এই অভিযোগ আনা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে, অর্থাৎ অমিত শাহের দফতর। অভিযোগ, আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে যে সমস্ত সিআইএসএফ জওয়ানরা এসেছিলেন তাঁদের থাকা-খাওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
প্রিম কোর্টের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয় "অভিযুক্ত কি সরাসরি এই ঘটনায় যুক্ত ছিল?" সেই সময় রাজ্য বলে, "না কিন্তু তিনি এই অভিযানের আহায়ক ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ফের প্রশ্ন করে জামিন পাওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
প্রায় এক দশক আগে সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশ দিয়েছিল, ধর্ষণের ক্ষেত্রে কোনও অবস্থাতেই নির্যাতিতা বা তাঁর পরিবারের একজন সদস্যেরও নাম, ছবি বা ঠিকানা প্রকাশ করা যাবে না। যদিও আরজি করের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অহরহ লঙ্ঘিত হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই চাকরি বাতিল মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সে বারও ২১ দিনের জন্য পিছিয়ে যায় এই মামলার শুনানি। শীর্ষ আদালতের যুক্তি ছিল, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শুনেই তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের প্রচার থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি জনসভায় একাধিকবার চিৎকার করে করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "আমি কারুর চাকরি যেতে দেব না, দেব না, দেব না!" আর সেই কথাকেই যেন বাস্তবে রূপায়ন করার পথে তৃণমূলনেত্রী।