HomeTagsSupreme Court

Supreme Court

BREAKING: ফের স্টেটাস রিপোর্ট তলব, ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার পরবর্তী শুনানি

আজ, ৯ সেপ্টেম্বর আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এটা দ্বিতীয় শুনানি। আজ ফের একবার টাইম লাইন নিয়ে আদালতে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। সোমবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি পর্বের শুরুতেই মুখবন্ধ খামে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই।

আন্দোলনের কারণে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল রাজ্য

আজ শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি প্রথমেই জিজ্ঞেস করেন আরজি কর হাসপাতাল থেকে সন্দীপ ঘোষের বাড়ি কত দূরে সেখানে সিবিআই-এর আইনজীবী উত্তর দেন ১৫ থেকে ২০ মিনিট।

রাজ্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, বাংলায় এসে সমস্যায় জওয়ানেরা

আরজি কর ইস্যুতেই শীর্ষ আদালতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল কেন্দ্র সরকার। এই অভিযোগ আনা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে, অর্থাৎ অমিত শাহের দফতর। অভিযোগ, আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে যে সমস্ত সিআইএসএফ জওয়ানরা এসেছিলেন তাঁদের থাকা-খাওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

মুখ পুড়ল রাজ্যের! মামলা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

প্রিম কোর্টের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয় "অভিযুক্ত কি সরাসরি এই ঘটনায় যুক্ত ছিল?" সেই সময় রাজ্য বলে, "না কিন্তু তিনি এই অভিযানের আহায়ক ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ফের প্রশ্ন করে জামিন পাওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

আরজি করের নির্যাতিতার নাম-পরিচয় ও ছবি ফাঁস করলেই এবার বড় বিপদ!

প্রায় এক দশক আগে সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশ দিয়েছিল, ধর্ষণের ক্ষেত্রে কোনও অবস্থাতেই নির্যাতিতা বা তাঁর পরিবারের একজন সদস্যেরও নাম, ছবি বা ঠিকানা প্রকাশ করা যাবে না। যদিও আরজি করের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অহরহ লঙ্ঘিত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল নিয়োগ বাতিল মামলার শুনানি, অথৈ জলে ২৬ হাজারের ভবিষ্যৎ

গত ১৬ জুলাই চাকরি বাতিল মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সে বারও ২১ দিনের জন্য পিছিয়ে যায় এই মামলার শুনানি। শীর্ষ আদালতের যুক্তি ছিল, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শুনেই তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিরাট স্বস্তিতে শিক্ষকেরা, ২৬ হাজারের চাকরি বাঁচালেন ‘জনদরদী’ মমতা!

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের প্রচার থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি জনসভায় একাধিকবার চিৎকার করে করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "আমি কারুর চাকরি যেতে দেব না, দেব না, দেব না!" আর সেই কথাকেই যেন বাস্তবে রূপায়ন করার পথে তৃণমূলনেত্রী।

Trending Now