আজকের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, "চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাতদিনের ট্রেনিং দিয়ে কিভাবে উপযুক্ত নিরাপত্তা আশা করেন আপনারা? গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার দায়িত্বে চুক্তিভিত্তিক কর্মী কিভাবে নিয়োগ করতে পারে রাজ্য? সরকারের এগুলো ভাবা উচিত।"
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্য সরকারের তরকে বলা হয়, রাতে মহিলাদের যত কম পারা যায় কাজ দিতে হবে। সরকারের এই বিজ্ঞপ্তির পর সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এবার প্রধান বিচারপতি বললেন, "রাজ্য সরকারকে এই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করতে হবে। কোনও মহিলাকে বলা যায় না যে রাতে কাজ করবেন না। আপনাদের দায়িত্ব নিরাপত্তা দেওয়ার।"
জুনিয়র ডাক্তারেরা ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ না দিলে রাজ্য সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে চাইলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সেই ব্যবস্থা ৬৬ ঘন্টা কেটে গেলেও এখনও নেয়নি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার।
আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হল, এই কর্মবিরতির কারণে এখনও পর্যন্ত ২৩ জন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, ৬ হাজারের রোগী পরিষেবা পায়নি।
ময়না তদন্তের রিপোর্টের সাথে আরও একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই তা হলো নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার করা হয়েছিল পুলিশের তরফে। যাতে তার পরিবার পুলিশের সুরেই কথা বলে। আমি অনুরোধ করব এই বিষয়টিও যেন খতিয়ে দেখা হয়
সিবিআই-এর তরফ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টে বলেন,"ফরেন্সিক রিপোর্টে বলা হয়েছে দেহ সাড়ে ৯টার সময় দেখতে পাওয়া গিয়েছে। দেহ যখন দেখতে পাওয়া যায় তখন তা অর্ধনগ্ন অবস্থায় ছিল। এমনকি তার দেহে একাধিক ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই সিবিআই তরফে এইসব নমুনা তথ্য এইমস বা অন্য কোনো হাসপাতালে পাঠানো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "যে ফাইলটি রাজ্য জমা করেছে সেটা আমাদেরও দেখানো হোক, এমনিতেই এমনি তেই অনেক কিছু লুকানো হয়েছে আর লুকানোর কিছু নেই।"