সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ সম্পর্কিত মামলার শুনানি রয়েছে। সেখানেই রাজ্য সরকার হাসপাতালের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কী অবস্থান নেয় এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে জুনিয়র ডাক্তাররা।
যদিও এই সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বিকাশরঞ্জন বলেছেন, "এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমার পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ছিল, করেছি। বাকিটা তাঁদের সিদ্ধান্ত। সুপ্রিম কোর্টে নির্যাতিতার হয়ে সওয়াল করার কোনও বিষয় নেই। মামলা হচ্ছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে।"
এর আগে আরজিকর মামলায় আইনজীবী বদল হয়েছিল জুনিয়র ডাক্তারদের ও। ১৭ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে জুনিয়র ডাক্তারদের হয়ে মামলা লড়েছিলেন আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং।
উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারেরও বেশি শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ, উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দিল, হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না শীর্ষ আদালত।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, শিশু পর্নোগ্রাফি দেখা এবং তা নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য নূন্যতম পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হবে এবং তা প্রচার করলে জরিমানা-সহ সর্বাধিক সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি হবে। আগের মতোই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ এই ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবে।