সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে চলছে আর জিকর মামলার শুনানি। এই শুনানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ। আজকের শুনানিতে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে গত ১৯ অগস্ট রাজ্য সরকারের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল তা সংশোধন করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্য সরকারের তরকে বলা হয়, রাতে মহিলাদের যত কম পারা যায় কাজ দিতে হবে। সরকারের এই বিজ্ঞপ্তির পর সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এবার প্রধান বিচারপতি বললেন, “রাজ্য সরকারকে এই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করতে হবে। কোনও মহিলাকে বলা যায় না যে রাতে কাজ করবেন না। আপনাদের দায়িত্ব নিরাপত্তা দেওয়ার। এখম মহিলা, পুরুষ সবাই সমান।”


সঙ্গে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “বিমানচালক, সেনাবাহিনীতে অনেক মহিলা কাজ করেন। তাঁরা রাতেও কাজ করেন। তাহলে এই ধরনের বিজ্ঞপ্তি কেন জারি করা হল?” শীর্ষ আদালত এই প্রশ্ন তোলার পরেই বিজ্ঞপ্তির অংশ মুছে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞপ্তির ৫ এবং ৬ নম্বর অংশ অর্থাৎ যেটা নিয়ে আপত্তি রয়েছে তা শীঘ্রই মুছে ফেলা হবে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, আজকের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট যে বিষয়গুলি তুলে ধরেছে সেগুলি হল, এই তদন্তে সিবিআই সমাধানের দিকে এগোচ্ছে তবে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। তদন্ত ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি। পাশাপাশি, উইকিপিডিয়া থেকে নির্যাযতিতার নাম মুছে ফেলতে হবে।
সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তায় বেসরকারি কর্মী বা সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি বলেই দাবি করেছেন ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস ওয়েস্ট বেঙ্গলের’ আইনজীবী করুণা নন্দী। বলা হয়েছে, সিনিয়ররা ওভারটাইম করে চিকিৎসা ব্যবস্থা ধরে রেখেছেন।









