আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হল, এই কর্মবিরতির কারণে এখনও পর্যন্ত ২৩ জন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, ৬ হাজারের রোগী পরিষেবা পায়নি।
এই বিষয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের ডেডলাইন বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। আদালতের তরফে বলা হল, মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরতে হবে, আর যদি তা না হয় তাহলে রাজ্য সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘বাস্তব পরিস্থিতি কী চলেছে আমরা সবাই জানি। কিন্তু ডাক্তারদের কাজে ফিরতে হবে। চিকিৎসকদের প্রধান কাজ চিকিৎসা করা। তাঁদের নিরাপত্তার নির্দেশ আমরা দিয়েছি। তাঁরা কাজে যোগ না দিলে আমরা প্রত্যেককে নোটিস দেব।’’


আরজি করের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জুনিয়র চিকিৎসকরা একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এখনও বিভিন্ন চিকিৎসকদের কাছে এখনও হুমকি ফোন আসছে। তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করছেন। সেই কারণে তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন। কিন্তু এবার সেক্ষেত্রে কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁরা কাজে যোগ না দিলে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে পারে রাজ্য সরকার।
প্রসঙ্গত, এর আগে প্রথম শুনানিতেও সুপ্রিম কোর্টের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফিরতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু মাঝে ১০ দিন কেটে গেলেও তাঁরা কাজে ফেরেননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও একই নির্দেশ দেন। তিনিও বলেন, এই আন্দোলনে জুনিয়র চিকিৎসকদের সাথেই আমি আছি কিন্তু তাঁরা যেন মানুষের পরিষেবা থেকে বিরত না থাকেন।







