আরজি করের খুন ও ধর্ষণকাণ্ডের দ্বিতীয় শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। শুরুতেই সুপ্রিম কোর্টে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। রাজ্যের তরফ থেকে যে রিপোর্ট জমা করা হয়েছে সেটা ফাইল করা হয়নি। এরপর তুষার মেহতা দাবি করে রাজ্য যে রিপোর্ট জমা করেছে সেটা আমাদেরও দেওয়া হোক। তখনই আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “যে ফাইলটি রাজ্য জমা করেছে সেটা আমাদেরও দেখানো হোক, এমনিতেই এমনি তেই অনেক কিছু লুকানো হয়েছে আর লুকানোর কিছু নেই।”
এরপরই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় তরফে প্রশ্ন করা হয়, আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে হাসপাতালের দূরত্ব কত? তখন জবাবে সিবিআইয়ের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, “১৫-২০ মিনিটের পথ। চাইলে আপনারা রিপোর্টের সঙ্গে চার্টটি দেখতে পারেন।” এছাড়াও গত শুনানির মতো আজও টাইম লাইন নিয়ে ফের জবাব তলব করে। প্রধান। বিচারপতি জানতে চান, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা কখনো রুজু করা হয়? কিভাবে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটে মৃত্যু শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। দুপুর ২টো ৫৫মিনিটে অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা যুক্ত করা হয়েছিল।”


সিবিআইয়ের তরফে সলিসিটর জেনারেল সুপ্রিম কোর্টে বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টায় দেহ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে, দেহ যখন পাওয়া গিয়েছিল, তখন তা অর্ধনগ্ন অবস্থায় ছিল। তাঁর দেহে ক্ষতচিহ্ন ছিল। ওই সব নমুনা এমস বা অন্য কোনও ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই।”
অন্যদিকে, আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি মন্তব্য করেন, “রাত পৌনে ১২টায় এফআইআর দায়ের হয়েছিল। গত ২৭ বছরের কর্মজীবনে আমি এমন মামলা দেখিনি।” আপাতত আগামী মঙ্গলবার সিবিআইকে ফের তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিল ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিসন বেঞ্চ। সিবিআই-এর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “ওপেন কোর্টে কিছু মন্তব্য করতে চাই না যাতে তদন্তে প্রভাব পড়ে। আগামী ১৭ তারিখ তদন্তের আবার স্টেটাস রিপোর্ট দিন।”







