আজ সুপ্রিম কোর্ট আর জি কর মামলার শুনানিতে হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল তুললেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সরকারি হাসপাতালগুলোতে কেন বেসরকারি এবং অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হবে তা নিয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করলেন তিনি। সঙ্গে সাফ সিভিক ভলান্টিয়ার প্রসঙ্গে বললেন, “সাত দিনের ট্রেনিং দিয়ে কি করে উপযুক্ত নিরাপত্তা আশা করা যায়? আশা করব, আগামী সময় উপযুক্ত নিরাপত্তা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের হাসপাতালে নিয়োগ করা হবে।”
আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন সঞ্জয় রায়। তিনি পেশায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। একজন ভলান্টিয়ার হলেও তিনি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির হয়ে কাজ করতেন। আর জি কর হাসপাতালে ছিল তাঁর অবাধ যাতায়াত। ৯ অগস্ট ধর্ষণের রাতে তাঁকে ঘটনাস্থলে তিন থেকে চারবার দেখা গিয়েছে বলে দাবি করেছে সিবিআই।


আজকের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাতদিনের ট্রেনিং দিয়ে কিভাবে উপযুক্ত নিরাপত্তা আশা করেন আপনারা? গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার দায়িত্বে চুক্তিভিত্তিক কর্মী কিভাবে নিয়োগ করতে পারে রাজ্য? সরকারের এগুলো ভাবা উচিত।”
সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রাজ্যে মোট ২৮টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। আরও ১৭টি হাসপাতাল সরকারের সঙ্গে যুক্ত। সেখানে বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৩ বছর বয়সের তরুণীরা কাজ করেন। তাঁদের নিরাপত্তায় চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হলে নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক।”
অন্যদিকে, সোমবার জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি মেনে নিয়ে রাজ্য সরকার হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নতির জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। সমস্ত হাসপাতালে সিসিটিভির সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছে রাজ্য। এই বিষয়ে আজ সুপ্রিম কোর্ট বলে, “এতদিন আরজিকর হাসপাতালে ৩৭টি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। আরও ৪১৫টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে।”









