আজ, ৯ সেপ্টেম্বর আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এটা দ্বিতীয় শুনানি। আজ ফের একবার টাইমলাইন নিয়ে আদালতে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। সোমবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি পর্বের শুরুতেই মুখবন্ধ খামে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। আগামী মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সিবিআই-কে ফের তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আজকের শুনানিতে ফের একবার টাইমলাইন বিতর্ক তৈরি হয়। সিবিআই-এর সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে মাত্র ২৭ মিনিটের চারটি ক্লিপিংস দেওয়া হয়েছে। বাকী ফুটেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। পাশাপাশি, প্রশ্নের মুখে আরজি কর-কাণ্ডের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। দিল্লির এমস-এ ফের একবার সমস্ত পরীক্ষার রিপোর্ট পুনরায় খতিয়ে দেখা হবে বলে জানাল সিবিআই।


এ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের তরফে সলিসিটর জেনারেল সুপ্রিম কোর্টে বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টায় দেহ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে, দেহ যখন পাওয়া গিয়েছিল, তখন তা অর্ধনগ্ন অবস্থায় ছিল। তাঁর দেহে ক্ষতচিহ্ন ছিল। ওই সব নমুনা এমস বা অন্য কোনও ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই।”
অন্যদিকে, আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি মন্তব্য করেন, “রাত পৌনে ১২টায় এফআইআর দায়ের হয়েছিল। গত ২৭ বছরের কর্মজীবনে আমি এমন মামলা দেখিনি।” আপাতত আগামী মঙ্গলবার সিবিআইকে ফের তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিল ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিসন বেঞ্চ। সিবিআই-এর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “ওপেন কোর্টে কিছু মন্তব্য করতে চাই না যাতে তদন্তে প্রভাব পড়ে। আগামী ১৭ তারিখ তদন্তের আবার স্টেটাস রিপোর্ট দিন।”







