লোকসভা ভোটের আগে নির্বাচনী বন্ড দুর্নীতি নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। এই দুর্নীতির তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একটি মামলা। মামলা করে দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। শুক্রবার সেই মামলা খারিজ হয়ে গেল শীর্ষ আদালতে। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে এই মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।
প্রসঙ্গত, দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তিনি দাবি করেন, ১৬ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। আর এই ‘সাহায্য’-এর বিনিময়ে সংস্থাগুলি ১০০ গুণ সুবিধা নিয়েছে সরকারের কাছ থেকে। মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উদাহরণ তুলে প্রশান্ত দাবি করেন, এই সংস্থা বিজেপিকে ১৪০ কোটি টাকা দিয়েছে! বিনিময়ে সেই সংস্থাকে ১৪ হাজার কোটির বরাত দিয়েছে কেন্দ্র।


গত ১৫ ফেব্রুয়ারী ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক। এই আবহে ৪ মার্চের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড নিয়ে যাবতীয় তথ্য জমা করতে নির্দেশ করা হয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে। তবে এই তথ্য জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সময় চেয়েছিল দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক। সুপ্রিম কোর্টের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনও টালবাহানা নয়, ১২ মার্চের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে স্টেট ব্যাঙ্ককে (SBI)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১৫ মার্চ বিকেল ৫ টার মধ্যে নিজেদের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে আনে নির্বাচন কমিশন।







