কনফার্ম করল পর্ষদ, রিপোর্ট গেল সুপ্রিম কোর্টে, অবিলম্বে চাকরি যাবে রাজ্যের ১২১২ শিক্ষকের

মধ্য শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, এই ১২১২ জন শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে চাকরি পেয়েছেন। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ, গ্রুপ-সি ও গ্রপ-ডি এই চারটি বিভাগেই কাজ করতেন তালিকার এই ব্যক্তিরা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টে চলছে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। আগেই ২৬ হাজার জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের রায় দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। কিন্তু, ২৬ হাজার জনের মধ্যে কারা ‘অযোগ্য’ আর কারাই বা ‘যোগ্য’ তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জানায় ‘অযোগ্য’-দের তালিকা তাঁরা জমা দেবে। রবিবার সেই তালিকা জমা হল শীর্ষ আদালতে।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়ে বলা হয়েছে, ২৬ হাজার জনের মধ্যে ১২১২ জনের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। মধ্য শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, এই ১২১২ জন শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে চাকরি পেয়েছেন। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ, গ্রুপ-সি ও গ্রপ-ডি এই চারটি বিভাগেই কাজ করতেন তালিকার এই ব্যক্তিরা।

আরও সরাসরি এসএসসি জানিয়েছে, ১২১২ জনের মধ্যে নবম-দশম শ্রেণিতে বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন ১৮৫ জন। যাদের মধ্যে আবার, ১১১ জন প্যানেলের বাইরে এবং বাকি ৭৪ জনকে মেধাতালিকা বহির্ভূতভাবে চাকরি পান। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে ৩৮ জনের বেনিয়মে চাকরি পেয়েছেন। তার মধ্যে ১৮ জন প্যানেল বহির্ভূত।

অন্যদিকে, গ্ৰুপ-সি বিভাগে ৩৮১ জন বেআইনি ভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। তার মধ্যে মেধাতালিকায় যোগ্যদের বঞ্চিত করে চাকরি পেয়েছেন ১৩২ জন। এ ছাড়া ২৪৯ জন চাকরি পেয়েছেন প্যানেলের বাইরে থেকে। গ্ৰুপ-ডি বিভাগে দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছেন ৬০৮ জন। এর প্যানেলে নাম না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছেন ৩৭১ জন। আর ২৩৭ জনকে মেধাতালিকায় এগিয়ে রেখে চাকরি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ১২১২ জনের নাম, রোল নম্বর-সহ তথ্য সুপ্রিম কোর্টে জমা দিয়েছে এসএসসি। এবার যদি শীর্ষ আদালত এই তথ্যকে মেনে নেয় তাহলে কেবল ১২১২ জনের চাকরি যাবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত