এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। যে রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। লোকসভা নির্বাচন মেটার পর আজ, মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে।
দীর্ঘ চার মাস পর সোমবার সুপ্রিম কোর্টে উঠে রাজ্যের ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) মামলা। কিন্তু, সময়ের অভাবে সেই মামলার শুনানি হল না শীর্ষ আদালতে। ফলে, ডিএ মামলার শুনানি স্থগিত হতে গেল। এখন আগামীতে কবে এই মামলার ফের শুনানি হবে তাও স্পষ্ট করে এখনও জানানো হয়নি।
বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা ওঠার কথা আছে। গতবার এই ডিএ মামলা উঠেছিল বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চে। আদালতের পাঁচ নম্বর কক্ষে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মামলা ওঠার কথা। এই মামলার সিরিয়াল নম্বর রয়েছে ৬০।
এই জামিনের পরও জেলেই থাকতে হবে কেজরিওয়ালকে। অন্য একটি মামলায় সিবিআইয়ের হাতেও গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। জানা গেছে আগামী ১৭ জুলাই সেই মামলারও শুনানি রয়েছে। তবে তার আগে মুক্তি পাচ্ছেন না আম আদমি পার্টির প্রধান।
সোমবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-র থেকে তিনটি বিষয়ে জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। এক, কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে? দুই, কোথায় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে? তিন, প্রশ্ন ফাঁস এবং পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময় কত? নতুন করে নিট পরীক্ষা নেওয়া হবে কিনা তা নির্ভর করছে এই তিন প্রশ্নের উত্তরের ওপরে।
আইএমএ-এর মতে, পতঞ্জলির বেশিরভাগ পণ্যের বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হয়। এই নিয়ে গত বছরের নভেম্বরে পতঞ্জলিকে সতর্ক করেছিল শীর্ষ আদালত। এর আগেই অবশ্য করোনার প্রতিষেধক হিসাবে ‘করোনিল’ বলে একটি পণ্য বাজারে আনে পতঞ্জলি। যেটি বিক্রি করে আড়াইশো কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছিল রামদেবের এই সংস্থা। যদিও এই ওষুধ আদৌ কোভিড প্রতিরোধী-ই নয়!
রাজ্যের আপত্তি সত্তেও বিভিন্ন মামলায় সিবিআই তদন্ত, এতে খর্ব হচ্ছে রাজ্যের সাংবিধানিক অধিকার। আজ শীর্ষ আদালতের বিচারপতি গাভাই এবং বিচারপতি সঞ্জিব মোহতা জানিয়ে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে করা মামলা নিয়ে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই এই মামলা গ্রহণ করা হবে।