রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে চলা শ্লীলতাহানি মামলায় এবার কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে জোরাল সওয়াল ‘নির্যাতিতা’র আইনজীবির। এর পরে ওই নির্যাতিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য ও কেন্দ্রকে একযোগে নোটিস পাঠালো সুপ্রিম কোর্ট।
শুক্রবার এই মামলা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে ওঠে। এই মামলা সংক্রান্ত রাজ্যের উদ্দেশে নোটিস জারি করে মোট তিনটি নির্দেশ দিয়েছেন তিন বিচারপতি। মামলায় রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রকে যুক্ত করতে অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল যাতে এই মামলায় সহযোগিতা করেন সেই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



প্রসঙ্গত, ওই মামলাকারিণী শীর্ষ আদালতে আর্জি করে আইনজীবীরা সংবিধানের ৩৬১ নম্বর অনুচ্ছেদে রাজ্যপাল ফৌজদারি, সাংবিধানিক ও দেওয়ানি মামলার দোহাই দিয়ে পুরোপুরি অব্যাহতি হতে পারে না। এই ধরনের বিস্ফোরক অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনও আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। তবে তদন্ত থামায়নি পুলিশ। রাজভবনে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করে কলকাতা পুলিশ।
কিন্তু কলকাতা হাই কোর্ট ওই তদন্তে স্থগিতাদেশ জারি করলে শেষমেশ বন্ধই হয়ে যায় তদন্ত। এরপরেই হাই কোর্টের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘নির্যাতিতা’।
শ্লীলতাহানি মামলায় ‘সুপ্রিম’ চাপে রাজ্যপাল, কেন্দ্র ও রাজ্যকে নোটিস শীর্ষ আদালতের



এরপরেই, শীর্ষ আদালতে নির্যাতিতার বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট যেন তার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে কয়েকটি নির্দেশ জারি করে। যেমন তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে অনুমতি, নির্যাতিতার নিরাপত্তা, নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখা। নির্যাতিতার এই যুক্তি শোনার পরই সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নোটিস পাঠায়। পাশাপাশি অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই মামলায় আদালতকে সহযোগিতা করার জন্য।







