বাংলার ভোটমঞ্চে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল—দুই শিবিরকেই নিশানা করলেন রাহুল গান্ধী। শ্রীরামপুরের সভা থেকে তাঁর সরাসরি প্রশ্ন, “আমার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা, ৫৫ ঘণ্টা জেরা—মমতাজির বিরুদ্ধে কেন একটাও করেননি মোদীজি?” এই বক্তব্যেই রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল।
শনিবারের প্রথম জনসভা ছিল শ্রীরামপুরে। সেখানেই কংগ্রেস নেতা অভিযোগ করেন, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে চাপে রাখতে একের পর এক মামলা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমার সংসদ সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে, আমি জামিনে রয়েছি, বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে আদালতের হাজিরার জন্য।”


একইসঙ্গে মোদী ও মমতা-কে আক্রমণ করে রাহুলের দাবি, তৃণমূল সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে না। বরং কংগ্রেসই একমাত্র দল, যারা মতাদর্শের ভিত্তিতে বিজেপির বিরোধিতা করছে।
রাহুলের বক্তব্য, “মোদীজি জানেন, কংগ্রেসই তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ। তাই কংগ্রেস ও তার নেতৃত্বকেই সবসময় আক্রমণ করা হয়।” তাঁর আরও দাবি, ভোটের সময়েই কেবল তৃণমূলকে কটাক্ষ করা হয়, নির্বাচনের পরে সেই আক্রমণ আর দেখা যায় না।
এই সভা থেকে রাজ্যের ভোটারদের উদ্দেশে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি। বেকারত্ব, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বিকল্পের প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “বাংলা আবার দেশকে পথ দেখাক—তার জন্য কংগ্রেসকে জেতান।”


দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাহুল গান্ধীর এই আক্রমণাত্মক অবস্থান স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—বাংলায় কংগ্রেস নিজেদের আলাদা জায়গা তৈরি করতে মরিয়া। এখন দেখার, ভোটের ময়দানে এই কৌশল কতটা ফল দেয়।







