ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির স্মৃতি তুলে ধরে ভোটের আগে বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন হিরণ চ্যাটার্জী। ১৯৯২ সালে চিকিৎসার অভাবে বাবা-মাকে হারানোর কথা স্মরণ করে তিনি জানান, শ্যামপুরে একটি আধুনিক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গড়ে তোলাই হবে তাঁর প্রথম লক্ষ্য—যাতে আর কাউকে চিকিৎসার অভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হিরণ চট্টোপাধ্যায় তাঁর শৈশবের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “খুব অল্প বয়সেই বাবা-মাকে হারিয়েছি। চিকিৎসার জন্য দৌড়েছেন, কিন্তু সঠিক পরিষেবা পাননি। সেই কষ্ট আজও আমাকে তাড়া করে।”


বর্তমান স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এত বছর পরও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বিশেষ করে শ্যামপুরের মতো এলাকায় এখনও মানুষকে চিকিৎসার জন্য অন্য শহরে ছুটতে হয়।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে হিরণ লেখেন, শ্যামপুরের বাসিন্দাদের জন্য একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি করাই হবে তাঁর “প্রথম এবং প্রধানতম কাজ”। তিনি উল্লেখ করেন, আজও এলাকার মানুষকে উলুবেড়িয়ায় যেতে হয় চিকিৎসার জন্য—হোক তা ডাক্তার দেখানো বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া।
এই পরিস্থিতিকে “অত্যন্ত দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, স্থানীয় মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্ত করাই তাঁর অঙ্গীকার। তিনি বলেন, মানুষের সমর্থন ও আশীর্বাদ পেলে শ্যামপুরে একটি আধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, যা গোটা এলাকার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বদলে দিতে পারে।


ভোটের মুখে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও জনস্বার্থের প্রতিশ্রুতি মিলিয়ে প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিজেপির এই প্রার্থী।








