অনুষ্ঠানে অতিথির আসনে বসেই সুকান্ত ও দেবকে বেশ খোশ মেজাজেই কথা বলতে দেখা যায়। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস- বাংলার এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রতিনিধি একে অপরকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখে নানা জল্পনা তুলছে নেটিজেনরা।
অশান্তির ঘটনা গুলির প্রসঙ্গে এক বিস্ফোরক দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নে হিংসায় ঘটনায় তৃণমূলের যোগ পেয়েছেন রাজ্যপালও! এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি। যদিওবা রাজভবন সূত্রে অবশ্য সুকান্তের এই তথ্যের সমর্থনে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করলেও যতটা সাফল্য আশা করেছিল বিজেপি তা তাঁরা পায়নি। এই কথাটা নির্মম সত্য। তুলনামূলক ফল আগের চেয়ে ভালো হয়েছে বলে গেরুয়া শিবিরের নেতারা নিজেদের তথা কর্মীদের যতই সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করুন না কেন, তাঁরা নিজেরাও জানেন সফলতা নির্দিষ্ট গন্ডি পেরোয়নি। বরং একই ভাবে মমতা ম্যাজিক মন্ত্রে ভর করে ক্ষমতায় বহাল থেকেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এবছর নরেন্দ্র মোদী সরকারের ন’বছর পূর্ণ হয়েছে। আর এই নয় বছরে দেশজুড়ে একের পর এক সাফল্যে নিয়ে এবার দেশে প্রচারে নেমেছে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি। পাশাপাশি এই প্রচারের মধ্যে নিয়েই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। সেই মতেই এবার বাংলাতেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের নির্দেশে একাধিক কর্মসূচী আয়োজিত করবে বঙ্গ বিজেপি।
তৃণমূলের হয়ে ২০০১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা চারবারের বিধায়ক তিনি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে ডেপুটি স্পিকার করেন মমতা। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেই পরিস্থিতির বদল হয়। সাতগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে সোনালির পরিবর্তে মোহনচন্দ্র নস্করকে প্রার্থী করে তৃণমূল। ভোটে টিকিট না পেয়ে অভিমানে দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন সোনালি গুহ।
"তৃণমূলের যাঁরা গুন্ডামি করছে, তাঁদের বলে দিন তোদের নেতা অনুব্রত মণ্ডল তিহারে। কিছুদিন পরে ভাইপো যাবে তিহারে। কারণ এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি।" এই বক্তব্য রাখার দিনেই গ্রেফতার হলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু।
ক্রমশ জনপ্রিয়তা বাড়ছে আপাত নিরীহ রাজনীতিক সুকান্ত মজুমদারের। এদিন দলীয় কাজের জেরেই এনজেপি থেকে কোচবিহার যাচ্ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তবে তাঁর এই যাত্রাপথের খবর পেয়ে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। আর এই খবর পাওয়া মাত্রই তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে জাতীয় সড়কে নামে জনতার ঢল! গরম, রোদের তাপ উপেক্ষা করেই রাস্তায় দুপাশে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।