নজরবন্দি ব্যুরো: ক্রমশ জনপ্রিয়তা বাড়ছে আপাত নিরীহ রাজনীতিক সুকান্ত মজুমদারের। এদিন দলীয় কাজের জেরেই এনজেপি থেকে কোচবিহার যাচ্ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তবে তাঁর এই যাত্রাপথের খবর পেয়ে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। আর এই খবর পাওয়া মাত্রই তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে জাতীয় সড়কে নামে জনতার ঢল! গরম, রোদের তাপ উপেক্ষা করেই রাস্তায় দুপাশে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।
আরও পড়ুন: Dilip Ghosh: আমে দুধে মিশে গিয়েছে, আটি হয়ে পড়ে আছে সিপিএম-কংগ্রেস! দলবদলে মন্তব্য দিলীপের
জানা যাচ্ছে, এনজেপি থেকে কোচবিহার যাওয়ার পথে প্রায় দুই-তিন শতাধিক মানুষের ভিড় দেখতে পেয়ে যাত্রাপথের মাঝখানেই কনভয় থামানোর নির্দেশ দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এরপরেই সুকান্তর কনভয় ঘিরে ফেলে জনতার ঢল! শুরু হয় শ্লোগান! কখনও সুকান্ত মজুমদার জিন্দাবাদ, কখনও ভারত মাতার জয়, আবার কখনও জয় শ্রীরাম শ্লোগান উচ্চাস প্রকাশ পায়। এরপরের সমর্থকদের উল্লাস দেখে যাত্রাপথের মাঝেই আম জনতার ভিড়ে মিশে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

অন্যদিকে প্রিয়নেতাকে কাছে পেয়ে রীতিমত আপ্লুত হয়ে পরে আমজনতা! জাতীয় সড়কের পাশেই দলের রাজ্য সভাপতিকে সংবর্ধনা দেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। দলীয় নেতাকে ঘিরেই মাঝ পথেই শুরু হয় পুস্পবৃষ্টি, ফুলের মালা, উত্তরীয় দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় তাঁকে। শুধুতাই নয়, দলীয় নেতার কাছে নিজেদের সমস্ত কষ্ট ও অভিযোগ তুলে ধরেন কর্মী সমর্থকরা। আর আমজনতার অভিযোগের কথা শুনে তাঁদের কষ্ট নিরাময়ের আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

অন্যদিকে, এদিন দলীয় কর্মীদের সামনেই বাইরন বিশ্বাসের বিশ্বাসঘাতকতা তুলে ধরেন রাজ্য সভাপতি। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “আমি প্রথম থেকেই জানতাম এটা হবে! পশ্চিমবঙ্গে এই রকমের রাজনীতি চলে। বাইরনই আসল মীরজাফর! বাইরন চলে যাওয়াতে কংগ্রেসের সাউরেন বেজে উঠেছে। এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে সরাতে পারে একমাত্র বিজেপিই।”
তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে সড়কে জনতার ঢল, প্রিয়নেতাকে কাছে পেয়ে আপ্লুত আমজনতা









