নজরবন্দি ব্যুরো: উপনির্বাচনে বড়সড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে অবশেষে ৩ মাস পর দলবদল করলেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। সোমবার ঘাটালের তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এলেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন। গতকাল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন বাইরন।
আরও পড়ুন: ED-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে এলেন কালীঘাটের কাকু! বিপদ বাড়ছে সুজয়কৃষ্ণের?
শুধু মাত্র বাম-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী এবং বিধানসভায় কংগ্রেসের একমাত্র মুখ হিসাবেও প্রতিনিধিত্ব করে ছিলেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন। তবে উপনির্বাচনে কংগ্রেস বিপুল সংখ্যক ভোটে জিতেও শেষ হাসি হাসল সেই তৃণমূলই। এই দলবদলের জেরে পঞ্চায়েতর আগেই সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেল সিপিএম-কংগ্রেস! এমটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও এপ্রসঙ্গে অন্য কথা বলছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি নেতার দাবি, এই দলবদলের জেরে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছেন সংখ্যালঘুরাই।

মঙ্গলবার মেদিনীপুরে চা চক্রে যোগ দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বাইরনের দলবদলের প্রসঙ্গে এদিন তিনি বলেন, “কংগ্রেস যখন বাইরনকে টিকিট দিয়েছিল, তখন ওঁর সম্বন্ধে কেউই সেই ভাবে কিছু জানত না। ওঁ কবে থেকে কংগ্রেস করেছেন? হ্যাঁ ওঁর হয়ত টাকা পয়সা আছে, বড় ব্যবসায়ীর ছেলে, তাই হয়ত ওঁকে কংগ্রেস টিকিট দিয়েছিল। কিন্তু ওঁর এই দলবদলের ফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন সংখ্যালঘুরাই। দুঃখের বিষয়ে সংখ্যালঘু সমাজ এতদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে প্রতারিত হয়েছে। আর শেষে যখন তাঁরাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে বাইরনকে জিতিয়েছিল। কিন্তু শেষে এক অবস্থা! তাঁরা এখন কী করবেন?”

প্রসঙ্গত, সাগরদিঘি মডেলে বড় ধাক্কা! সোমবার তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে এলেন বাইরন। কংগ্রেসে থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে পারছিলেন না বলেই এই দলবদল, দাবি বাইরন বিশ্বাসের। কিন্তু এপ্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই দলবদল নিঃসন্দেহেই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা! নির্বাচনের আগেই বড় চাল চালল তৃণমূল।
আমে দুধে মিশে গিয়েছে, দলবদলে মন্তব্য দিলীপের




