শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্য অধীনস্থ তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি-র তদন্তে ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এদিনের শুনানিতে আদালতে অস্বস্তিতে পড়তে হল রাজ্যকেও। ভুয়ো নিয়োগপত্র বানিয়ে নিজের স্কুলেই ছেলেকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই দুর্নীতির তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছিল আদালত। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি।
কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও খুনের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। ধৃত দুজনকে ১৩ দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের দাবি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই ওই তৃণমূল নেতা খুন হয়েছেন।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর। অভিষেকের আসার আগেই বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের প্রতিবাদের জেরে রণক্ষেত্র আকার ধারন করে মতুয়াধাম। একের অপরকে বিঁধে নানান আক্রমণ শানিয়েছেন দুই সাংসদই। এখানেই শেষ নয়, এই অশান্তির জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টেও। আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন শান্তনু ঠাকুর।
বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশের পরই কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের তদন্তে আইপিএস দময়ন্তী সেন এবং রাজ্যের প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত এবং প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়। কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের নিয়ে সিট গঠনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হয় রাজ্য। দাবি করা হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার তদন্ত করতে পারেন না।
আগামী সোমবার প্রধান বিচারপতির শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে দুটি মামলার শুনানি হবে। আদালত সূত্রে খবর, অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের নিয়ে সিট গঠনকে কেন্দ্র করে একটি মামলা এবং কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে রিপোর্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় মামলাটি করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে মামলা চলে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সোমবার প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এদিনেই সিবিআইয়ের সিটের মাথা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ধরমবীরকে। নতুন দায়িত্ব পেলেন কল্যাণ। এবার থেকে নিয়োগ দুর্নীতি করবেন বাঙালি অফিসার। নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।