নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই আগ্রায় এক তৃণমূল নেতাকে দলীয় কার্যালয়ের ভিতর প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়। এই ঘটনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দুজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার খুনের ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করল পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে সিট।
আরও পড়ুন: সীমান্তে তৃণমূলকে ভোট প্রচারে বাধা বিএসএফ এর, নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ শাসক দল
গত বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার আদ্রায় পুরনো বাজারের তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় চৌবেকে গুলি করে খুন করে আততায়ীরা। এই ঘটনার তদন্তে নেমে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী আরশাদ হোসেন সহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হল। তদন্তকারীদের দলে রয়েছেন পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অম্লান কুসুম ঘোষ, রঘুনাথপুরের এসডিপিও যোধাবর অবিনাশ ভীমরাও।

এদিকে কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও খুনের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। ধৃত দুজনকে ১৩ দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের দাবি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই ওই তৃণমূল নেতা খুন হয়েছেন। সূত্র মারফত খবর, ধৃত আরশাদ হোসেন তৃণমূলের সদস্য ছিলেন কিন্তু টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হন। যদিও শাসক দলের দাবি, পঞ্চায়েতে অশান্তি ছড়াতে বিরোধীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘটনার সময় তৃণমূলের কার্যালয়ে রাজ্য পুলিশের এক কনস্টেবলও উপস্থিত ছিলেন। আততায়ীরা বাইকে এসে কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে সাত রাউন্ড গুলি চালায়। সেইসময় ধনঞ্জয় চৌবেকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশ কর্মী আহত হন। দ্রুত দুজনকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় চৌবের মৃত্যু হয়।
আদ্রার TMC নেতা খুনের তদন্তে SIT গঠন, কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় পুলিশ!




