নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় চৌবে খুনের ঘটনার পর পেরিয়েছে গোটা রাত। গোটা পুরুলিয়া এখনও থমথমে। রেলশহর আদ্রায় কার্যত বনধের পরিস্থিতি। বন্ধ দোকানপাট। এদিকে অভিযুক্তের গ্রেপ্তারির দাবিতে পথে শাসকদল। রাস্তায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে চলছে বিক্ষোভ-অবরোধ।
আরও পড়ুন: মলয় ঘটককে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, এবার কি হাজিরা দেবেন আইনমন্ত্রী?


আর এই মধ্যেই এই খুনে গ্রেফতার হলেন দুই জন। ধৃতের মধ্যে একজন কুখ্যাত দুষ্কৃতী মহম্মদ জামাল। অপরজন তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আরশাদ হোসেন। পঞ্চায়েত ভোটে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিল সে। রাতেই মহম্মদ জামাল ও আরশাদ হোসেনের নামে পুলিশে লিখিত অভিযোগ করে মৃতের পরিবার।

শুরু হয় তল্লাশি। গতকাল সন্ধে থেকে পুরুলিয়ার সবকটি নাকা পয়েন্টে চেকিং চালানো হয়। আনা হয় স্নিফার ডগ। দীর্ঘ তল্লাশির পর শুক্রবার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয় ঐ দু জনকে। উল্লেখ্য, গত কাল আদ্রায় পার্টি অফিসেই তৃণমূল নেতাকে গুলি করে দু জন দুষ্কৃতি। আহত দেহরক্ষী। মনোনয়ন শুরু হওয়ার ১৪দিনেই রাজ্যে ৯জন খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।



জনবহুল বাজার এলাকাতেই ৩ আততায়ীর হামলার ঘটনা গোটা আদ্রা জুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে অন্তত ৭ রাউন্ড গুলি চালিয়ে আততায়ীরা উধাও হয়ে যায় । বাইকে এসে পার্টি অফিসের সামনেই তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।
আদ্রার তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার কং প্রার্থী সহ এক, থমথমে এলাকা

জানা গিয়েছে, আদ্রার চুনাভাট্টি এলাকার বাসিন্দা আরশাদ। এবছর পঞ্চায়েত ভোটে কাশীপুর ব্লকের বেকো গ্রাম পঞ্চায়েতের চুনাভাট্টি এলাকায় কংগ্রেসের হয়ে মনোনয়ন জমা করেছিল সে। তাই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এটা কি তবে রাজনৈতিক খুন? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।







