পাঁচ রাজ্যের ভোটগণনা শুরু হতেই গেরুয়া শিবিরে উৎসবের প্রস্তুতি। প্রাথমিক ট্রেন্ডে একাধিক রাজ্যে এগিয়ে থাকার দাবি ঘিরে দিল্লিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। সন্ধ্যায় দলের সদর দপ্তরে পৌঁছে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি—এমনটাই জানিয়েছে বিজেপি সূত্র।
সকাল আটটা থেকেই রাজধানীর দলীয় কার্যালয়ে শুরু হয়েছে উদযাপনের প্রস্তুতি। কর্মীদের হাতে তৈরি হচ্ছে জিলিপি, লাড্ডু, পুরী—সব মিলিয়ে যেন আগাম বিজয়োৎসবের আবহ। দলীয় সূত্রের খবর, দিনভর মিষ্টিমুখের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সদর দপ্তরে, যাতে সম্ভাব্য জয়ের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া যায়।


পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং পুদুচেরি—এই তিন রাজ্যের ফল নিয়ে বিশেষ আশাবাদী বিজেপি। আগেই প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, এই নির্বাচনেই রেকর্ড গড়তে পারে দল। ভোটের প্রাথমিক প্রবণতাও সেই দাবিকে জোর দিচ্ছে বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির।
অসমে টানা দশ বছর ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি, এবং বুথফেরত সমীক্ষাও ইঙ্গিত দিচ্ছে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠনের সম্ভাবনার দিকে। অন্যদিকে পুদুচেরিতে All India NR Congress–এর সঙ্গে জোটে লড়ছে বিজেপি, যেখানে ফের ক্ষমতায় ফেরার আশা জোরালো।
সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের ফলের দিকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাজ্যে নিজেদের জমি শক্ত করতে চাওয়া বিজেপি এবার বড় সাফল্যের প্রত্যাশায় রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন্ডে পরিবর্তন এলে সেই আশা আরও জোরদার হচ্ছে।


এই পরিস্থিতিতে দিল্লির বিজেপি সদর দপ্তরে বাড়ছে ভিড়, বাড়ছে উত্তেজনা। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে সেখানে বিশাল জমায়েতের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন—প্রাথমিক ট্রেন্ড কি শেষ পর্যন্ত জয়ের উৎসবে পরিণত হবে?







