কিন্তু তিনি কোনও রান করতে পারেননি। আফগানিস্তান ম্যাচে আরও একটি সুযোগ পাবেন ঈশান। তবে ভারতীয় দল চাইবে শুভমান দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরুন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পাবেন রোহিতেরা।
বিশ্বকাপের আগে শুভমন গিল যে ফর্মে ছিলেন তাতেতাকেই ভারতের টপ অর্ডারের অন্যতম ভরসাযোগ্য ব্যাটার হিসাবে দেখা হচ্ছিল। অথচ সেই শুভমনের বিশ্বকাপ খেলা নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এই মুহূর্তে চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। এখন শোনা যাচ্ছে ভারতের তৃতীয় ম্যাচ অর্থাৎ পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও অনিশ্চিত গিল। যে কারণে ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচের মধ্যেই আলোচনায় বসতে চলেছেন নির্বাচকরা।
ভারতীয় দলের অধিনায়ক যখন এই কথা বলছেন, তখন সূত্রের খবর যে ডেঙ্গি আক্রান্ত শুভমন এতটাই অসুস্থ যে, টিমহোটেলে রীতিমতো স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। রক্তের প্লেটলেট যাতে নেমে না যায়। সঙ্গে গ্লুকোজ় দেওয়া হচ্ছে। অসম্ভব দুর্বল হয়ে রয়েছেন পাঞ্জাবের ক্রিকেটার। বোর্ডের এক কর্তা শনিবারই সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন যে, খেলার মতো অবস্থাতে নেই গিল।
সেই সময় অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানান, শুভমান-সহ টিম ইন্ডিয়ার কয়েকজন সদস্য ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। তবে পরে জানা যায়, গিলের অসুস্থতা সাধারণ ভাইরাল জ্বর নয়। তিনি আক্রান্ত ডেঙ্গুতে।
যদিও এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন ঈশান কিষাণ। কারণ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট মিডল অর্ডারে চায় কেএল রাহুলকে। ২০২৩ সালে এখনও অবধি আন্তর্জাতিক এক দিনের ম্যাচে শুভমন গিল করেছেন ২০টি ইনিংসে ১২৩০ রান। তার মধ্যে রয়েছে ৫টি শতরান ও ৫টি অর্ধশতরান।
সেই ম্যাচে ভারত গেলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন শুভমন। চলতি বছরে পাঁচটি শতরান হল গিলের। সব মিলিয়ে অজিদের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের আগেই দুর্দান্ত ছন্দে রোহিত বাহিনী।
ম্যাচ হারের শেষে সাংবাদিক বৈঠকে গিল বলেন, “আমি থাকলে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারতাম। আমার তরফ থেকে হিসাবে গলদ হয়ে গিয়েছিল। আমি ভালো ফর্মে ছিলাম। তাই বাড়তি আগ্রাসী মেজাজে রান তুলতে না গিয়ে ঠান্ডামাথায় খেললে অনায়াসে ম্যাচটা জিততে পারতাম।