উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ। উত্তম আপাতত পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন। শিবুর ক্ষেত্রে ১০ দিনের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি দুর্নীতি দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের অভিযোগের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ।
বিগত কয়েকদিনে দফায় দফায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে সন্দেশখালির মহিলারা। এই নিয়ে চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। শাসক- বিরোধী সব শিবিরে চলছে একে অপরকে দায়ী করার প্রচেষ্টা। সকলেই নারী নির্যাতনের জন্য শাসকদলকে দায়ী করছে।
এইসব দেখেশুনেই সংবিধানের ৩৩৮ ধারা অনুযায়ী আমাদের দাবি তপশিলি জাতি ও উপজাতির সুরক্ষা বিঘ্নিত হচ্ছে ওই অঞ্চলে। ফলে সন্দেশখালি তে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করছি "।
সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করে তৃণমূলকে ‘টার্গেট’ করছে বিজেপি। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী, যিনি ওদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। মমতা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচার বরদাস্ত করা হবে না। তদন্ত করা হবে। মমতা রাজ্যের মহিলাদের জন্য যা করেছেন, আর কোনও দল তা করেনি।
শাহজাহান জানিয়েছেন ইডি যদি তাকে গ্রেফতার না করে, তবে তিনি হাজিরা দিতে রাজী আছেন। উল্লেখ্য, আজ বিধানসভা থেকে সন্দেশখালির সব অশান্তির দায় বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সন্দেশখালির অভিযান বাতিলের আর্জি জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে মেইল করেছেন সন্দেশখালির এসপি। কারণ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন সেখানকার ১৪৪ ধারার কথা। তবে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) তার নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
গত বুধবার উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তৃণমূলের তিন নেতা শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছেন দ্বীপাঞ্চলের মহিলারা। ঘেরাও করেছেন থানা। এই মুহূর্তে সন্দেশখালিতে জারি ১৪৪ ধারা। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট।