চোর পুলিশ খেলা যেন থামছেই না। ৫ জানুয়ারির পর থেকেই বেপাত্তা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দাপুটে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ (Shahjahan Seikh)। কোথায় আছেন তিনি তা জানা না গেলেও আইনজীবী মারফত আদালতে নিজের বার্তা পাঠাচ্ছেন দ্বীপাঞ্চলের ‘বাঘ’। আর এবার পরিষ্কার শর্ত দিলেন শাহজাহান। তাঁর বক্তব্য, গ্রেফতার না করা হলে তবেই তিনি ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দেবেন।
আরও পড়ুন: করজোড়ে রাজ্যপালের কাছে সাহায্য প্রার্থনা সন্দেশখালির মহিলাদের, এবার কী করবেন বোস?


প্রসঙ্গত, সোমবার ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দেবার কথা ছিল শাহজাহান শেখের (Shahjahan Seikh)। কিন্তু তিনি হাজিরা দিলেন না। এই নিয়ে তৃতীয়বার ইডির নির্দেশ অমান্য করলেন তিনি। যদিও এরই মাঝে আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন শাহজাহান। আজ ছিল সেই মামলার শুনানি। সেখানেই শাহজাহানের আইনজীবী জানালেন, ইডিকে (ED) নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁর মক্কেলকে গ্রেফতার করা হবে না তবেই ইডি দফতরে হাজিরা দেবেন তিনি।

একই সঙ্গে শাহজাহানের (Shahjahan Seikh) আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেন, ‘‘আমার মক্কলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির টাকা বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সে প্রভাবশালী, মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ। তাই আগাম জামিন মঞ্জুর হচ্ছে না। এখানে তো গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।’’



গ্রেফতার না করলে তবেই হাজিরা দেব, আদালতে জানালেন সন্দেশখালির ‘বাঘ’!
পাল্টা, ইডির (ED) আইনজীবী বলেন, ‘‘ঠাকুরঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি! শাহজাহানের (Shahjahan Seikh) বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আমরা আক্রান্ত হলাম। আবার আমাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে। আমরা কোনও দায়িত্ব নিতে পারব না।’’ উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে শাহজাহান শেখের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হন ইডির (ED) গোয়েন্দারা।

এদিকে, গত বুধবার উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তৃণমূলের তিন নেতা শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছেন দ্বীপাঞ্চলের মহিলারা। ঘেরাও করেছেন থানা। এই মুহূর্তে সন্দেশখালিতে জারি ১৪৪ ধারা। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট। গ্রেফতার হয়েছেন উত্তম সর্দার। তবে, এখনও অধরাই রয়েছেন শাহজাহান ও শিবু।







