শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে চলা মাছের ভেড়ি দখল, সিন্ডিকেট চালানো ও তোলাবাজি সহ একাধিক মামলার তদন্তের সূত্রে নাম জড়ায় সিরাজউদ্দিন সহ শাহজাহানের জামাই ও গাড়ির চালকেরও। যদিও এর আগেও দুবার নোটিশ দেওয়ার পরেও হাজিরা দেননি তাঁরা। জানা গেছে কিছুদিন আগেই তাদের নোটিস দিয়েছিল ইডি কিন্তু তাতে তাঁরা কোনো আলোকপাত করেননি।
১৪ দিন জেল হেফাজত শেষে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় সন্দেশখালির মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে। সেখানেই ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তিনি। একদিকে যেমন, বিজেপির তরফে অভিযোগ, এই ভিডিও ফেক, উন্নততর প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৈরি করেছে তৃণমূল। সেখানে কিন্তু শাহজাহানের বক্তব্য, "ওটা ফেক না, ওটা অরিজিনাল।"
শুধু শেখ শাহজাহানই নন, তাঁর তিন ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, ভাই আলমগির শেখ এবং দিদার মোল্লাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে বদ্ধপরিকর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। খুব শীঘ্রই এই তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নিতে আদালতে তুলতে পারেন গোয়েন্দারা।
তদন্তের পর গোয়েন্দাদের মনে হয়েছে, শাহজাহান এবং তাঁর কিছু সাগরেদ, যারা প্রথমে নিরীহ গ্রামবাসীদের জমি জোর করে দখল করতেন এবং সেই জমি বিক্রি করতেন। কখনও কখনও জমি নেওয়া হতো শাহজাহান অনুগামীদের নামেও। এরপর সেই টাকাটা ব্যবহার করা হতো চিংড়ি ব্যবসায়।
এদিন শাহজাহানকে আদালতে তোলা হলে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায় আইনজীবীদের মধ্যে। কয়েকজন শাহজাহানের ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকেই আবার সরাসরি বলেছেন, 'শাহজাহান যে ধরনের অন্যায় করেছেন, মহিলাদের সঙ্গে যে রকম আচরণ করেছেন তাতে শুধুমাত্র ফাঁসিই একমাত্র শাস্তি যেটা হওয়া উচিত।'