গ্রেফতারির ছ’দিন পর সিবিআইয়ের হাতেই নিজেকে সঁপতে হল সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানকে। ভবানী ভবন থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসতে কাঠখড় পোড়াতে হল গোয়েন্দাদের। বুধবার সন্ধ্যেতে অবশেষে সিবিআই দফতর থেকে তাঁকে নিয়ে বেরোল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গন্তব্য, প্রথমে ইএসআই জোকা। স্বাস্থ্যপরীক্ষা। তারপর সোজা নিজাম প্যালেস, সিবিআই দফতর।
সারাদিন অবশ্য টানবাহানা চলল কলকাতা হাই কোর্টে। পাশাপাশি, সন্দেশখালিকাণ্ডের একটি মামলা সুপ্রিম কোর্টেও চলছিল। দু’ক্ষেত্রেই রাজ্য পরাজিত! হাই কোর্টেই তরফে আগেই শাহজাহানের সিবিআই হেফাজতে ‘হ্যাঁ’ বলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পাল্টা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। মঙ্গলবার শাহজাহানকে আনতে ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে গিয়ে ঘন্টা দুয়েক অপেক্ষা করে ফিরে আসতে হয়েছিল সিবিআই-কে।

সন্ধ্যে ৬টা ৪০ নাগাদ অবশেষে শাহজাহানকে হাতে পেল সিবিআই। ইতিমধ্যেই সন্দেশখালিকাণ্ডে তিনটি এফআইআর করেছে এজেন্সি। মূল অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে শাহজাহানের নাম! গ্রেফতারির পর প্রথমেই অঙ্গুলিহেলন করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা। সিআইডি জেরার মুখে কার্যত কিছুই বলেননি শাহজাহান। বুধবার রাত থেকেই তাঁকে জেরা শুরু করতে পারেন গোয়েন্দারা বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর।

শাহজাহানকে হাতে পেল CBI, স্বাস্থ্যপরীক্ষা সেরে সোজা নিজামে, রাত থেকেই শুরু জেরা?
বিগত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে সন্দেশখালি গিয়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। সেই ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয় একটি মামলা। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় ছিল সিট গঠন করে ইডি হামলার তদন্ত করা উচিত। কিন্তু তাতে আপত্তি ছিল ইডির। পাল্টা ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয় এজেন্সি।
মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ইডি হামলার তদন্তভার নেবে সিবিআই। ফলে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় খারিজ হয়ে গেল। পাশাপাশি, ন্যাজাট এবং বনগাঁ থানায় যে তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে সেই মামলাগুলিও রাজ্য পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে এজেন্সির হাতে তুলে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
Latest News

১৩ বছর পর বারুইপুরে ফের লাল ঝান্ডা, ‘দখলমুক্ত’ পার্টি অফিসে বসলেন সিপিআইএম নেতারা

চিন্নাস্বামী নয়, ফের আমেদাবাদে IPL ফাইনাল! কেন এই সিদ্ধান্ত BBCI-র?








