গ্রেফতারির পরেও স্বমেজাজেই দেখা যায় শেখ শাহজাহানকে। পরনে ছিল সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা জুতো! আদালতে প্রবেশের মুখে আঙুল নেড়ে কিছু ইঙ্গিত করেন তিনি। যার অর্থ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। অথচ তাঁর নামে দায়ের হয়েছে ৪২টি কেস!
উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ। উত্তম আপাতত পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন। শিবুর ক্ষেত্রে ১০ দিনের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি দুর্নীতি দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের অভিযোগের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ।
সেই অর্থে, উত্তম বা শিবু যদি সন্দেশখালির 'চুনো পুঁটি' হন, তাহলে 'রাঘব বোয়াল' অবশ্যই শাহজাহান। তিনি অবশ্য 'বাঘ' বলে বেশি সুখ্যাত। সেক্ষেত্রে উত্তম বা শিবু তাঁর শাগরেদ বড়ো জোর। শাহজাহানের বিস্তার অনেক বেশি। রেশন দুর্নীতিতেও রয়েছে তাঁর প্রভাব। শীর্ষ স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘকালীন পরিচয়।
প্রথমবার সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খুলল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বললেন, “কিছু মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। কোনও মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু এই দু’দিন ধরে যথেষ্ট সংযত ছিল তৃণমূল এবং পুলিশ। সিপিআইএম, বিজেপি এবং কংগ্রেস কিছু মানুষকে উস্কে দিয়ে সেখানে গন্ডগোলের চেষ্টা করছে। এই সমস্যা মিটেও যাবে কয়েকদিনের মধ্যে।”