কোম্পানি খুলে বিগত ১০ বছরে ১৩৭ কোটি টাকা ব্যাঙ্কে জমা করেছেন শেখ শাহজাহান। তথ্য প্রকাশ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দু’টি কোম্পানির মাধ্যমে এই টাকা জমা করা হয়। একটি কোম্পানি, ম্যাগনাম এক্সপোর্ট, অন্যটি, শেখ শাবিনা ফিসারি। এই টাকা সবই কালো টাকা সাদা করে ব্যাঙ্কে জমা দিতেন শাহজাহান এবং কখনও টাকা বিদেশেও পাচার হত।
আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ি সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কথা বলবেন দুর্গতদের সঙ্গে


সন্দেশখালির বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা করেছে ইডি। একটি রেশন দুর্নীতি, এবং অপরটি বেআইনিভাবে জমি দখল ও মাছ চাষ। সোমবার ইডির বিশেষ আদালতে গোয়েন্দারা ব্যাখ্যা দিলেন, শাহজাহান কীভাবে সন্দেশখালির গ্রামবাসীদের জমি দখল করতেন এবং পরে সেই জমি বিক্রির টাকা ব্যবহার করতেন মাছ চাষ বা ভেড়ি ব্যবসায়।

ইতিমধ্যেই শেখ শাহজাহানকে নিজেদের দখলে পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ইডির আর্জি মঞ্জুর করেছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৩ এপ্রিল। আজ আদালতে সম্পূর্ণভাবে শেখ শাহজাহানের ‘কালো’ টাকা ‘সাদা’ করার যে পদ্ধতি তা তুলে ধরেছেন ইডির আইনজীবী।



তদন্তের পর গোয়েন্দাদের মনে হয়েছে, শাহজাহান এবং তাঁর কিছু সাগরেদ, যারা প্রথমে নিরীহ গ্রামবাসীদের জমি জোর করে দখল করতেন এবং সেই জমি বিক্রি করতেন। কখনও কখনও জমি নেওয়া হতো শাহজাহান অনুগামীদের নামেও। এরপর সেই টাকাটা ব্যবহার করা হতো চিংড়ি ব্যবসায়। যে ব্যবসাটা শাহজাহান নিজের মেয়ে শেখ সাবিনার নামে করতেন। চিংড়ি ব্যবসা থেকে উপার্জন করা কোটি কোটি টাকা পাচার হতো বিদেশে, এমনটাও দাবি ইডির।
১০ বছরে ব্যাঙ্কে ১৩৭ কোটি জমা করেছেন শাহজাহান, ইডির রিপোর্টে আরও কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য?









