সামনেই মহারণ। এর মধ্যেই বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই উতপ্ত সন্দেশখালি। কার্যত জ্বলছে সন্দেশখালি। স্থানীয়দের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে বিজেপি পুলিশের ধস্তাধস্তিতে বুধবার অসুস্থ হতে পড়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপি, কংগ্রেস ও বামেরা একত্রে সন্দেশখালি যাচ্ছে।(Sandeshkhali Case)



আরও পড়ুন : ‘নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক’, সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তিতে বিজেপি সরকার
ফলে নতুন করে ফের অশান্তির আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। যার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও র্যাফ। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)নেতৃত্বে বিজেপির অভিযানকে কেন্দ্র করে মঙ্গল ও বুধবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল বসিরহাট ও টাকি। আজ অর্থাৎ শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে সন্দেশখালি যাওয়ার কথা বিজেপি বিধায়কদের।



এদিকে বিজেপির পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমেরও আজ গন্তব্য সন্দেশখালি। তফশিল কমিশনের সদস্যরাও আজ যাচ্ছেন ঐ এলাকায়। পাশাপাশি নির্যাতিত গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীও (Adhir Chowdhury) সন্দেশখালি যাবেন। আবার সন্দেশখালি যাওয়ার কথা রয়েছে বামেদের। একসাথে সকলের কর্মসুচী থাকায় উতপ্ত হয়ে উঠতে পারে এলাকা। তাই আগেভাগেই প্রস্তুত পুলিশ।

সন্দেশখালি অভিযান রাজ্যের বিরোধী শিবিরের, অশান্তির আশঙ্কায় স্থানীয়রা
ইতিমধ্যেই সন্দেশখালির অভিযান বাতিলের আর্জি জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে মেইল করেছেন সন্দেশখালির এসপি। কারণ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন সেখানকার ১৪৪ ধারার কথা। তবে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) তার নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি নেই তিনি সেখানেই যাবেন। এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্যের শাসকদল। সন্দেশখালি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।







