উল্লেখ্য, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা অনেক দিন হল খণ্ড খণ্ড হয়ে গিয়েছে। বিনয় তাঁর গোষ্ঠীর নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন। তার পর সোমবার রাতে এক প্রস্ত ভার্চুয়াল বৈঠকে কোর কমিটি তাঁকে দায়িত্ব দেয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার। বিনয়ের কথায়, ‘‘সংগঠনের নেতারা আমার উপর দায়িত্ব ন্যস্ত করেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, তৃণমূল ছাড়া যাকে খুশি সমর্থন করা যেতে পারে।’’
উল্লেখ্য, রবিবার সকালে বাগডোগরা থেকে হেলিকপ্টারে তাঁর দার্জিলিঙে পৌঁছনোর কথা ছিল। সকাল ১১টায় সভা শুরুর কথা থাকলেও আবহাওয়া খারাপ থাকায় তা শুরু করা যায়নি। দার্জিলিঙে পৌঁছতে পারেননি শাহ। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তিনি বাগডোগরাতেই আটকে ছিলেন তিনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, 'জরুরী তলবেই দিল্লি যেতে হচ্ছে। ভোটে কীভাবে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে হয়তো সেই নিয়েই আলোচনা হবে।' যাওয়ার আগে রাজু বিস্তা জানিয়ে দিলেন, দার্জিলিঙয়ের মানুষের মনে ও মুখে হাসি দেখতে চান তিনি। বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে দার্জিলিং জেলা নেতৃত্বের কয়েকজন সদস্য দিল্লি যাচ্ছেন।
এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। নিজেদের মতাদর্শগত বিরোধকে সরিয়ে সব দল জোটবদ্ধ হয়েছে। এখানে উন্নয়ন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদীজির নেতৃত্বে ভরসা রাখছেন পাহাড়বাসী।'
ডিসেম্বর শেষ মাস তৃণমূলের জন্য। এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। মেয়াদ শেষের আগে তৃণমূল সরকারের পতনের দাবি করলেন তিনি। বিজেপি নেতার এহেন মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই তাঁর শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। রবিবার গুরুং সাক্ষাতে জন-রাজু। গুরুংকে দেখতে অনশন মঞ্চে উপস্থিত হলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত এবং জন বার্লা। গুরুংকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তাঁরা।