রাজ্য জুরেই চলছে অবিরাম বৃষ্টি। যার জেরে জলমগ্ন দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলা। আর এই দুর্যোগের জেরেই এবার বাড়তি সতর্কতা নিল নবান্ন। জেলাস্তরে্র সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল। জেলাশাসকদের এই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ নবান্নের।
মৌসুমী বায়ু ধীরে ধীরে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে প্রবেশ করবে। ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শনি এবং রবিবার ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সামনেই গেল দীপাবলি। যার কারনে দূষণের মাত্রা বেশ খানিকটা বেড়েছিল কলকাতার পরিবেশে। বেশ কিছুবছর ধরেই কলকাতার বাতাস দূষণসমৃদ্ধ। যার মাত্রা দীপাবলিতে আরও বেশ খানিকটা বেড়েছিল। কিন্তু আপাতত তা থেকে স্বস্তি পেল শহরবাসী। গত তিনদিন ধরে কলকাতার আকাশ বেশ মেঘলা ছিল। বেশ খানিকটা বৃষ্টিও হয়েছে। যার ফলে বাতাসে দূষণের মাত্রা কিছুটা হলেও কমেছে।
বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতাবাসীসহ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মানুষ মেঘমুক্ত ঝলমলে আকাশ অনুভব করছেন। কিন্তু ফেল পাল্টা শুনে গান গাইছে আবহাওয়া। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে আবারো বদল হতে পারে আবহাওয়ার। এমনটাই অশনি সংকেত শোনালো আবহাওয়া দপ্তর। আর কিছু ঘণ্টার মধ্যেই বদল হতে পারে আবহাওয়ার।
রাজ্যজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। জেলায় জেলায় সংক্রমণ বেড়েই চলছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধিতে টানা বৃষ্টিকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই ডেঙ্গুর দাপট কমতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। অর্থাৎ টানা বৃষ্টি না হলেই রাজ্য থেকে বিদায় নেবে ডেঙ্গু।
বিগত কয়েকদিন ধরে যে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের খামখেয়ালী আবহাওয়া ও নাছোড়বান্দা বৃষ্টি। যার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি ও তথ্য ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই বার বার দাবি করা হয়েছে যে, পুজোর চারদিন ঝড় হতে পারে। কিন্তু এই সকল ছবি ও তথ্যকে ভুল বলেই দাবি করছে হাওয়া অফিস।