প্রায় ৭০ দিন ধরে শহিদ মিনারের সামনে ধর্না জারি রেখেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হলেও এখনও নমনীয় মনোভাব দেখা যায়নি। তাই ধর্না জারি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার ডিএ আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট। ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসুক রাজ্য। নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির।
সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ছিল তাঁর।
বামেদের এই ডিজিটাল প্রচার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, "একে বলে দেখে শেখা। নিজের মাথায় কিছুই নেই, অন্যের দেখে শেখা।" বামদের আক্রমণ করে তিনি বলেন, "হাজার হাজার শহিদের রক্ত দি
সেখান থেকেই কিছুদূরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে টানা ৩০ ঘণ্টার ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে চলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবারেও স্পষ্ট করলেন, রাজ্য সরকারের কর্মী হয়ে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়া যাবে না।
যোগ্য হয়েও বঞ্চনার শিকার। সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে ২১৯ দিন ধরে ধর্না দিচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু তাতেও সরকারের টনক নড়েনি। এমত অবস্থায় শুধুমাত্র অবস্থান নয়, চাকরির দাবিতে এবার অভিনব পদক্ষেপ নিল আন্দোলনকারীরা। তিন দিন ধরে রাস্তায় হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। ৩ থেকে ৫ এপ্রিল অবধি লং মার্চ করবেন চাকরি প্রার্থীরা।
বুধবার বেলা ১২ টা থেকে ধর্না শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তাঁর ধর্নার শেষ দিন। এদিন সকাল ৯ টা থেকে ধর্না শুরু করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। চলবে সন্ধ্যে ৬ টা অবধি। ধর্নার দ্বিতীয় দিনে ছাত্র-যুবদের সঙ্গে গলা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী। রবীন্দ্র সঙ্গীতে নেতৃত্ব দিলেন ইন্দ্রনীল-বাবুলরা।